﻿<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="wordpress/2.3.1" -->
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>bdnews24.com banglablog</title>
	<link>http://banglablog.bdnews24.com</link>
	<description>bdnews24.com banglablog</description>
	<pubDate>Wed, 01 Dec 2010 06:43:23 +0000</pubDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.3.1</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>এক্সক্লুসিভদরিদ্রদের &#8216;ইউনূসফাঁদ&#8217;</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnadmin/928</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnadmin/928#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 01 Dec 2010 06:25:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>bdnadmin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnadmin/928</guid>
		<description><![CDATA[ঢাকা, ডিসেম্বর ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ইউরোপের দেওয়া কোটি কোটি ডলার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানোর অভিযোগ উঠেছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক প্রামাণ্যচিত্রে এ অভিযোগ তোলা হয়।   
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর হাতে আসা নথিপত্রে দেখা গেছে, দারিদ্র্য দূর করার জন্য ভর্তুকি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯৯৬ সালে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেয় [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা, ডিসেম্বর ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ইউরোপের দেওয়া কোটি কোটি ডলার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানোর অভিযোগ উঠেছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক প্রামাণ্যচিত্রে এ অভিযোগ তোলা হয়।   </p>
<p>বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর হাতে আসা নথিপত্রে দেখা গেছে, দারিদ্র্য দূর করার জন্য ভর্তুকি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯৯৬ সালে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেয় ইউরোপের কয়েকটি দেশ। নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির দেওয়া অর্থ থেকে ১০ কোটি ডলারেরও বেশি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামে নিজের অন্য এক প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেন ইউনূস।  </p>
<p>ঢাকার নরওয়ের দূতাবাস, নরওয়ের দাতাসংস্থা নোরাড এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এ অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকে ফেরত নিতে চেয়েও পারেনি। ১০ কোটি ডলারের মধ্যে সাত কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানেই থেকে যায়।  </p>
<p>এরপর গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ওই অর্থ ঋণ হিসেবে নেয় গ্রামীণ ব্যাংক।  </p>
<p>১৯৭৬ সালে গবেষণা কার্যক্রম হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম শুরু করেন মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে গ্রামীণ ব্যাংক।  </p>
<p>নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে (এনআরকে) &#8216;ক্ষুদ্র ঋণের ফাঁদে&#8217; নামে প্রামাণ্যচিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় মঙ্গলবার।  </p>
<p>প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা টম হেইনমান মঙ্গলবার রাতে টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, &#8220;মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলার জন্য ছয় মাস চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি দেখাই করতে রাজি হননি।&#8221;  </p>
<p>এই প্রামাণ্যচিত্রে তিনি ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়টিকে &#8216;ক্রিটিক্যালি&#8217; দেখার চেষ্টা করেছেন বলে জানান টম।  </p>
<p>অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য টমকে ২০০৭ সালে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করে ডেনিশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম।  </p>
<p>কোটি কোটি ডলার &#8216;আত্মসাতের&#8217; এ ঘটনা প্রকাশ যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক ছিলেন ইউনূস। এ নিয়ে নোরাডের তখনকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠিও লেখেন তিনি।  </p>
<p>১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল লেখা ওই চিঠিতে ইউনূস বলেন, &#8220;আপনার সাহায্য দরকার আমার। &#8230; সরকার এবং সরকারের বাইরের মানুষ বিষয়টি জানতে পারলে আমাদের সত্যিই সমস্যা হবে।&#8221;  </p>
<p>নোরাড, ঢাকার নরওয়ে দূতাবাস এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশি−ষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে।  </p>
<p>প্রায় ১৮ কোটি ডলার   </p>
<p>গত শতকের ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংক বিপুল পরিমাণ বিদেশি অর্থ পায়। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের গরিব মানুষদের দারিদ্রসীমার নিচ থেকে তুলে আনাই ছিলো ওই তহবিলের লক্ষ্য। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জোনাথন মরডাকের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ভর্তুকি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পেয়েছিলো।   </p>
<p>ইউনূসের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার সরানোর যে অভিযোগ ওঠে, তার ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছিলেন নোরাডকে। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার কারণ উল্লেখ করে তিনি ১৯৯৮ সালের ৮ জানুয়ারি একটি চিঠি লিখেন। তাতে বলা হয়- &#8220;এ অর্থ রিভলবিং ফান্ড হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় থেকে গেলে ক্রমশ বাড়তে থাকা কর হারের কারণে ভবিষ্যতে আমাদের বিপুল পরিমাণ কর পরিশোধ করতে হবে।&#8221;  </p>
<p>রিভলবিং ফান্ড থেকে কোনো অর্থ ব্যয়ের পর তার বিনিময়ে পাওয়া অর্থ আবার একই কাজে ব্যবহার করা যায়। এই তহবিলের ক্ষেত্রে অর্থবছর বিবেচ্য হয় না।   </p>
<p>ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের সবারই এক গল্প  </p>
<p>&#8216;ক্ষুদ্র ঋণের ফাঁদে&#8217; প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতারা গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে সংশি−ষ্ট গ্রামগুলোতে গেছেন বেশ কয়েকবার। জোবরা গ্রামে তাদের সঙ্গে দেখা হয়, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ নেওয়া সুফিয়ার মেয়ের সঙ্গে। যশোরের &#8216;হিলারি পল−ীতে&#8217; তাদের দেখা হয় গরিব মানুষদের সঙ্গে, ক্ষুদ্র ঋণের কারণে তাদের ঋণের বোঝাই বেড়েছে বলে দেখতে পান নির্মতারা।   </p>
<p>ওই পল্লীতে গিয়ে ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি তার সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছিলেন সাবেক মার্কিন ফার্স্টলেডি ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।  </p>
<p>ঋণগ্রহীতাদের প্রায় সবার মুখেই একই কথা শুনেছেন প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতারা। তারা জানান, প্রত্যেকেই একাধিক ক্ষুদ্র  ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে সবারই প্রাণান্ত অবস্থা। কেউ বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছে ঋণ শোধের জন্য। আবার ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তি শোধ করতে না পারায় কারো ঘরের টিন খুলে নিয়ে গেছে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান।  </p>
<p>প্রামাণ্যচিত্রটিতে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন সমাজ বিজ্ঞানী ও গবেষকের সাক্ষাৎকার রয়েছে। এরা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র ঋণের &#8216;বৃহৎ সাফল্য&#8217; নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। ডেভিড রডম্যান, জোনাথন মারডক, টমাস ডিক্টার এবং মিলফোর্ড বেটম্যানের মতো সমাজবিজ্ঞানীদের সবার একটাই কথা, ক্ষুদ্র ঋণ চালু হওয়ার পরবর্তী ৩৫ বছরে এখনো এমন কোনো প্রমাণ নেই, যাতে মনে হতে পারে ক্ষুদ্র ঋণ গরিব মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।   </p>
<p>বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/পিডি/০৬০০ ঘ.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnadmin/928/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dinmojur/636</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dinmojur/636#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 03 Jul 2009 23:09:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>dinmojur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[টিপাইমুখ]]></category>

		<category><![CDATA[বাঁধ]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ভারত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dinmojur/636</guid>
		<description><![CDATA[ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশাল হিমালয় এবং বরাক অববাহিকা অঞ্চলের প্রকৃতির উপর পরাশক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে উদগ্রীব ভারতীয় পুজি এবং আন্তর্জাতিক পুজির মুনাফা-নজর পড়েছে। লোভাতুর পুজি কখনো প্রকৃতি বোঝেনা, দীর্ঘ মেয়াদী বিবেচনা বোঝেনা, ঐতিহ্য সংস্কৃতি বোঝেনা। পুজি কখনো জীব বৈচিত্র-পরিবেশ-প্রতিবেশকে মূল্য দিতে শেখেনি, টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব অনুধাবন করতে চায়নি। এই পুজি সাধারণ গণমানুষের জীবন-জীবিকার মৌল স্বার্থকে প্রধান [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশাল হিমালয় এবং বরাক অববাহিকা অঞ্চলের প্রকৃতির উপর পরাশক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে উদগ্রীব ভারতীয় পুজি এবং আন্তর্জাতিক পুজির মুনাফা-নজর পড়েছে। লোভাতুর পুজি কখনো প্রকৃতি বোঝেনা, দীর্ঘ মেয়াদী বিবেচনা বোঝেনা, ঐতিহ্য সংস্কৃতি বোঝেনা। পুজি কখনো জীব বৈচিত্র-পরিবেশ-প্রতিবেশকে মূল্য দিতে শেখেনি, টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব অনুধাবন করতে চায়নি। এই পুজি সাধারণ গণমানুষের জীবন-জীবিকার মৌল স্বার্থকে প্রধান বিবেচনায় ঠাই দিতে শেখেনি। পুজি হচ্ছে একচক্ষু দানব, পুজি বোঝে শুধু মুনাফা। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে প্রাকৃতিক সুবিধা ব্যবহার করে জলবিদ্যুত প্রকল্পের মাধ্যমে ষাট হাজার মেগাওয়াটেরও বেশী বিদ্যুত নির্মাণ করে তা দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এনার্জি গ্রিড তৈরীর মধ্যদিয়ে বিশাল এক মুনাফা বাণিজ্যের আয়োজন করে চলেছে উদগ্র ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক পুজি। বিশেষত: বরাক নদীকে ব্যবহার করে উত্তর-পূর্ব ভারতের মণীপুর রাজ্যে টিপাইমুখ অঞ্চলে ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উতপাদনের প্রকল্পটি হচ্ছে ঐ বিশদ পরিকল্পনারই একাংশ মাত্র১ যার খেসারত দিতে হবে আসাম-মণিপুর-মিজোরাম রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের জনগণকে। <a href="http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dinmojur/636#more-636" class="more-link">(more&#8230;)</a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dinmojur/636/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>টিপাইমুখ বিতর্ক</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnews24com/630</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnews24com/630#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 25 Jun 2009 21:45:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>bdnews24.com</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[টিপাইমুখ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnews24com/630</guid>
		<description><![CDATA[ভারত তার মনিপুর রাজ্যের টিপাইমুখে বরাক নদীতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, এ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের পরিবেশ ও কৃষি বড় রকমের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ভারতের অভিযোগ, এক পক্ষের রাজনীতিক জনমনে বিদ্বেষ ছড়াতে গৎবাঁধা ভারতবিরোধিতায় ধূয়া দিচ্ছেন, আবার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দল [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভারত তার মনিপুর রাজ্যের টিপাইমুখে বরাক নদীতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, এ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের পরিবেশ ও কৃষি বড় রকমের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ভারতের অভিযোগ, এক পক্ষের রাজনীতিক জনমনে বিদ্বেষ ছড়াতে গৎবাঁধা ভারতবিরোধিতায় ধূয়া দিচ্ছেন, আবার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ সরকার বলেছে, ওই এলাকায় একটি সংসদীয় দল যাবে এবং তারপর এ বিষয়ে পরামর্শ দেবে। ভারতের মনিপুরের স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশেষজ্ঞদেরও কেউ কেউ এ বাঁধের বিরোধিতা করছেন।</p>
<p>এ ব্লগে টিপাইমুখ ইস্যু নিয়ে আপনার বক্তব্য ও মন্তব্য তুলে ধরুন। কিছু নির্বাচিত লেখা আমাদের মূলপাতায় প্রকাশিত হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bdnews24com/630/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যার জন্য লেখা চাই!</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/writer74/597</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/writer74/597#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2009 23:53:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাইফ সামির</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<category><![CDATA[ই-ম্যাগাজিন]]></category>

		<category><![CDATA[নজরুল]]></category>

		<category><![CDATA[রবীন্দ্রনাথ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/writer74/597</guid>
		<description><![CDATA[সুহৃয়,
বাঙালির জাতির সাহিত্য ও সংষ্কৃতির দুই বিশাল স্তম্ভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম। একজন বিশ্বকবি ও নোবেল বিজয়ী, অন্যজন বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি। রবীন্দ্রনাথ আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা অন্যদিকে আমাদের রণসঙ্গীত লিখেছেন নজরুল।
রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী আমরা বাংলা সন অনুসারে পালন করলেও একটি পরিহাস এই যে মাতৃভাষা দিবস
আমরা পালন করি ইংরেজি তারিখ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সুহৃয়,</p>
<p>বাঙালির জাতির সাহিত্য ও সংষ্কৃতির দুই বিশাল স্তম্ভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম। একজন বিশ্বকবি ও নোবেল বিজয়ী, অন্যজন বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি। রবীন্দ্রনাথ আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা অন্যদিকে আমাদের রণসঙ্গীত লিখেছেন নজরুল।<br />
রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী আমরা বাংলা সন অনুসারে পালন করলেও একটি পরিহাস এই যে মাতৃভাষা দিবস<br />
আমরা পালন করি ইংরেজি তারিখ অনুসারে। মজার ব্যপার হলো নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের জন্ম ও মৃত্যুদিন পৃথক বাংলা মাসে হলে একই ইংরেজি মাসে। রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের জন্ম যথাক্রমে মে মাসের ৭ ও ২৫ তারিখ। মৃত্যু যথাক্রমে ৭ ও ২৯ আগষ্ট। রবীন্দ্রনাথ  ও নজরুল দুজনই শিকার হয়েছিলেন মৌলবাদিতার। আবার দুজনকে নিয়েই হয়েছে কে কার চেয়ে বড় তার তর্ক-বিতর্ক। একজনকে বড় দেখাতে অন্যজনকে করা হয়েছে ছোট। কিন্তু আমাদের দেশ ও মানস গঠনে দুজনেরই ভূমিকা অবিস্মরীয়। তাই আমরা বারবার তাদের কাছে ফিরে আসি, আসতে হয়। তাই রবীন্দ্রনাথের ১৪৮তম ও লজরুলের ১১০তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে সাহিত্য গ্রুপ আকাশ সাহিত্য চক্র (দেখুন/জয়েন করুন <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=65363463555">) একটি ই-ম্যাগাজিন প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করছে। i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যা শীষক ভার্চুয়াল ম্যাগটিই সম্ভবত হতে যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথ-নজরুলকে নিয়ে দেশের প্রথম ই-ম্যাগ। এখানে লেখার দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। নেটিজেনরাই এখানে লিখবেন। অফলাইন থেকে কোন লেখা সংগ্রহ করা হচ্ছে না। এখানে আপনি লিখতে পারেন এই দুই কীর্তিমানকে নিয়ে সাহিত্য বা জীবনী নির্ভর গদ্য, রচনা/নিবন্ধ । তাদের লেখার স্টাইলিস্টিকস সমালোচনা কিংবা পাঠ প্রতিক্রিয়া। ভাষার ক্ষেত্রে আমরা একাডেমিক ভাষার চেয়ে ফ্রি-স্টাইল গদ্যকেই অধিক উৎসাহিত করছি। তবে যে কোন গবেষণামূলক লেখাও পাঠানো যাবে। লিখতে পারেন নজরুল ও রবীন্দ্রনাথকে উৎসগ করে কবিতা অথবা কোন রবীন্দ্রনাথ/নজরুল বিশেষজ্ঞকে নিয়ে লেখা। করতে পারেন উভয়ের যে কোন লেখার ইংরেজি অনুবাদ কিংবা দিতে পারেন কোন গল্প/উপন্যাসকে নাট্যরূপ। আপনার লেখাটি হতে পারে পরীক্ষাধমী। নজরুল/রবীন্দ্রনাথকে চরিত্র বানিয়ে লিখে ফেলতে পারেন কোন গল্প! মোট কথা, রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিষয়ক রচিত, অপ্রকাশিত (অনলাইনে পূবপ্রকাশ শিথিলযোগ্য, তবে উল্লেখ করতে হবে), মৌলিক যে কোন লেখাই পাঠিয়ে দিতে পারেন আপনি। আপনার মূল্যবান লেখাটি নিয়েই প্রকাশিত হবে প্রথম i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যা। আপনি নিজে লিখুন, আপনার পরিচিতজনদের লিখতে বলুন। যারা ছবি আকেন তারা নজরুল-রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাদের চিত্রকম পাঠাতে পারেন। যেহেতু গতানুগতিক কায়দায় কোন ফরমায়েশি লেখা নেয়া হচ্ছে না তাই আপনারদের সবার সক্রিয় অংশগ্রহণই এই অভিনব পথ চলাকে সফল করবে।</p>
<p>সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ।</p>
<p>শিগগিরই আপনার ম্যাটারটি পাঠিয়ে দিন।<br />
ঠিকানা: imagbangla@gmail.com</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/writer74/597/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আমরা কোথায় আছি!!!</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bahar/573</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bahar/573#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2009 01:26:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>bahar</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bahar/573</guid>
		<description><![CDATA[বিগত ৩ মাসে বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঝড়। এই ঝড়কে মোকাবেলা করার সামর্থ কি সরকারের নাই নাকি সরকারের মোকাবেলা করার স্বদ ইচ্ছা নাই। বাংলাদেশের সাধারন জনগন এই দুইটার একটা উত্তর বেছে নেবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারন জনগনের চিন্তা চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিগত ৩ মাসে বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঝড়। এই ঝড়কে মোকাবেলা করার সামর্থ কি সরকারের নাই নাকি সরকারের মোকাবেলা করার স্বদ ইচ্ছা নাই। বাংলাদেশের সাধারন জনগন এই দুইটার একটা উত্তর বেছে নেবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারন জনগনের চিন্তা চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে তা আমি নিজেই বুজতে পারচি না। গত বুধবার (০৮/০৪/২০০৯) নাগাদ যেখানে সবার চিন্তা ছিলো পিলখানার হত্যাকান্ড, বসুন্ধরা সিটির অগ্নিকান্ড, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ত্রলীগের সংঘর্ষ, যুদ্ধ-অপরাধ ইস্যু ইত্যাদি কিন্তু এখন মানুষের চিন্তা- চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন তারা চিন্তা করছে খালেদা জিয়া কি শেষ পর্যন্ত তার সেনানিবাসের বাড়ী ছাড়ছে নাকি ছাড়ছে না। আপনারা এখন একটু চিন্তা করে দেখুনতো আমাদের এখন মনে কোন ঘটনার উত্তর চাচ্ছে?</p>
<p>দেশ এখন কোন দিকে যাচ্ছ আমি নিজেই বুজতে পারছি না। পিলখানার ঘটনা হয়েছে প্রায় ৪৫ দিন আগে আজ পর্যন্ত তার তদন্তই শেষ হলো না। আরও ৩০ কার্য দিবস বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে তদন্ত কাজ। তার মানে আরো ৪৫ দিন। এদিকে বসুন্ধরার অগ্নিকান্ডের ঘটনাতো আমরা ভুলেই গেছি। সরকার কি তাহলে জনগনের চিন্তা অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে চাচ্ছেন নাকি তারা দেশ পরিচালনা করতে হিমসিম খাচ্ছে। কোনটা সঠিক? তবে এটা বলা যায় বিগত ৩ মাসে বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি দারুন ভাবে খুন্ন হয়েছে। আমি মনে করি সরকার সকল মনযোগ জংগিবাদের দিকে দিতে গিয়ে এখন গোলক ধাধার ভিতর পড়ে গেছে।</p>
<p>খলেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ী ইস্যু নিয়ে বিএনপি কি আন্দলনের দিকে যাবে? আর সরকার কি যে কোন মুল্যে তা প্রটেক্ট করবে? তবে দেশ কি একটা অস্থিতিশীল পরিবেশের দিকে যাচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/bahar/573/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>Hi! I m New in the blog.</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/ismail-azad/572</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/ismail-azad/572#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2009 01:25:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ismail azad</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/ismail-azad/572</guid>
		<description><![CDATA[Hi everybody! i m a new user of blog. i cant write in bangla in the blog. can any body help me to write bangla in the blog.
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>Hi everybody! i m a new user of blog. i cant write in bangla in the blog. can any body help me to write bangla in the blog.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/ismail-azad/572/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পাঠ্য বই সঙ্কট: সমাধানের একটি প্রস্তাবনা</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dr-alamgir-kanchan/569</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dr-alamgir-kanchan/569#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2009 01:25:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ডঃ আলমগীর কাঞ্চন</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dr-alamgir-kanchan/569</guid>
		<description><![CDATA[আমাদের দেশে  প্রতি শিক্ষাবছরের শুরুতে কিছু লোকের খামখেয়ালি কিংবা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারায় পাঠ্যবই নিয়ে সংকট লেগেই থাকছে। একটি সহজ সমাধান হতে পারে, শিক্ষাবছরের শুরুতে সবগুলো বই PDF ফরমেটে অনলাইনে দিয়ে দেয়া। ওয়েব অ্যাড্রেস জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে যাদের প্রয়োজন সবাই ডাউনলোড করে নিবেন। আমাদের মনে রাখতে হবে পাঠ্যপুস্তক কোন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের দেশে  প্রতি শিক্ষাবছরের শুরুতে কিছু লোকের খামখেয়ালি কিংবা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারায় পাঠ্যবই নিয়ে সংকট লেগেই থাকছে। একটি সহজ সমাধান হতে পারে, শিক্ষাবছরের শুরুতে সবগুলো বই PDF ফরমেটে অনলাইনে দিয়ে দেয়া। ওয়েব অ্যাড্রেস জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে যাদের প্রয়োজন সবাই ডাউনলোড করে নিবেন। আমাদের মনে রাখতে হবে পাঠ্যপুস্তক কোন লাভজনক ব্যবসা নয়। সরকার প্রকাশক ঠিক করে যাতে তারা কিছু কমিশন নিয়ে ঠিক সময়ে বই বাজারে সরবরাহ করতে পারে। এটাও জেনে রাখা ভাল যে বই বাছাই, রচনা, সম্পাদনার কাজ কিন্তু সরকার নিজেই করে। তাই PDF  ফরমেটে বই অনলাইনে দিতে কোনো সমস্যা হবার কথা নয়।</p>
<p>আপনাদের মতামত দিন। চলুন সবাই মিলে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করি ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/dr-alamgir-kanchan/569/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>গণ পিটুনি: আইন যা বলে</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/musa29/568</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/musa29/568#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2009 01:24:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>musa29</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/musa29/568</guid>
		<description><![CDATA[চোর-ডাকাত, পকেটমার কিংবা ছিনতাইকারী হাতেনাতে ধরা পড়েছে অথচ পুলিশের হাতে দেয়ার আগে তাকে পিটুনি বা গণপিটুনি দেয়া হয়নি এরকম ঘটনা খুব কমই ঘটে থাকে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর এ ধরনের অপরাধীকে গণপিটুনি দেয়াটা মোটামুটি বিধানে পরিণত হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত আইন ভঙ্গকারী এদেশের জনগোষ্ঠী এ বিধান পালনে যথেষ্ট তৎপর। অন্তত বাস্তব অবস্থাদৃষ্টে এবং পত্রিকার খবর অনুযায়ী [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>চোর-ডাকাত, পকেটমার কিংবা ছিনতাইকারী হাতেনাতে ধরা পড়েছে অথচ পুলিশের হাতে দেয়ার আগে তাকে পিটুনি বা গণপিটুনি দেয়া হয়নি এরকম ঘটনা খুব কমই ঘটে থাকে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর এ ধরনের অপরাধীকে গণপিটুনি দেয়াটা মোটামুটি বিধানে পরিণত হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত আইন ভঙ্গকারী এদেশের জনগোষ্ঠী এ বিধান পালনে যথেষ্ট তৎপর। অন্তত বাস্তব অবস্থাদৃষ্টে এবং পত্রিকার খবর অনুযায়ী এমনটিই মনে হয়। কেননা ‘গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু’ কিংবা ‘গণপিটুনিতে ছিনতাইকারীর জীবনাবসান’ এ ধরনের শিরোনাম দেখে আমরা এখন আর আঁতকে ওঠি না। অনেক অদ্ভুত বাস্তবতার দেশে এটা এখন নির্মম বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।<br />
রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আপনার যেমন অধিকার ভোগ করার আইনানুগ বিধান আছে, তেমনি রাষ্ট্রের যে কোনো নাগরিকেরই এ অধিকার ভোগ করা আইনসম্মত। বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয়ভাগে রাষ্ট্রের নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ৩১, ৩৩ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় লাভ, আইন অনুযায়ী ব্যবহার লাভ, বিচার লাভ, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ লাভ, অপরাধী-নিরপরাধী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।<br />
যদিও বাংলাদেশের প্রচলিত পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনিহা থেকেই গণপিটুনির মতো অবৈধ এবং আইন বিরোধী কাজটি করা হয় বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু নিজের হাতে আইন তুলে নেয়ার মতো অপরাধ আইন দ্বারা তো নিষিদ্ধই বরং বিবেক দ্বারাও অসমর্থিত।<br />
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা অনুযায়ী, চোর ধরা পড়লে তাকে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। আর এর ব্যতিক্রম করলে দন্ডবিধি ১৮৭ ধারা অনুযায়ী আপনাকে অনূর্ধ্ব ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে।<br />
অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের আইনগত দায়িত্ব। আর এ দায়িত্বে বাধা দেয়ার মতো কোনো অধিকার আপনার নেই। বরং চোর, ডাকাত, ছিনাতইকারী কিংবা পকেটামারকে আপনি যদি আটকে রাখেন এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তবে আপনাকে দ-বিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০ টাকা জরিমানা বা উভয়বিধ দ-ে দ-িত হতে পারেন।<br />
আটক রাখার পর যদি আপনি সখের বশে কিংবা নিজের শক্তিকে জাহির করার জন্য অথবা আকস্মিক উত্তেজনা বশত হয়ে অপরাধীকে পিটুনি বা ধোলাই দেন তবে কারাদ-ের আগে মেয়াদ বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে অনূর্ধ্ব তিন বছর এক মাসে। সঙ্গে অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা তো থাকছেই।<br />
৩৩৪ ধারা দ-বিধি পিটুনি বা ধোলাই দিতে গিয়ে যদি গুরুতর আঘাত দিয়ে ফেলেন তবে আগের কারাদ- মেয়াদের সঙ্গে যোগ হবে আরো এক বছর। আর অর্থদ- হবে অনূর্ধ্ব ২ হাজার টাকা। অবশ্য এ ক্ষেত্রেও কারাদ- ও অর্থদ- উভয় দ-েও দ-িত হতে পারেন। (দ-বিধি, ৩৩৫ ধারা)<br />
যে অপরাধীর ওপর আপনি নিজের ক্ষোভ মেটাচ্ছেন বা ধোলাই দিচ্ছেন তাকে আঘাতদানের সময় মেরে ফেলবেন এমন কোনো চিন্তাভাবনা বা আশঙ্কা আপনার মনে কাজ করেনি কিন্তু আকস্মিক উত্তেজনার একপর্যায়ে পিটুনির ফলে অপরাধীর মৃত্যু ঘটলো, সেক্ষেত্রে দ-বিধির ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী আপনার দশ বছর কারাদ- বা জরিমানা বা উভয়বিধ শাস্তি হবে। আর যদি অপরাধীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মেরে ফেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয় তবে এ মেরে ফেলার কাজটি হবে ঈঁষঢ়ধনষব যড়সরপরফব যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদ- বা অনূর্ধ্ব দশ বছর মেয়াদের যে কোনো কারাদ-। তার সঙ্গে যে কোনো পরিমাণ জরিমানা তো থাকছেই। (৩০৪ ধারা দ-বিধি, প্রথম অংশ)<br />
গণপিটুনিতে যদি অপরাধীর মৃত্যু ঘটে তবে তার দায় বর্তাবে অপরাধ সংঘটনকারী সব ব্যক্তির ওপর। কেননা আইনে ঔড়রহঃ ষরধনরষরঃু বা যৌথ দায়িত্বশীলতা বলে একটি নীতি আছে। সেখানে বলা হয়েছে, একই অভিপ্রায় নিয়ে একাধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটন করলে, তাহলে প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি নিজেই অপরাধটি করেছেন। তাই গণপিটুনিতে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে, সবাইকে সমভাবে এজন্য দায়ী করা যাবে। [৩৪ ধারা দ-বিধি]<br />
আশ্চর্যের বিষয় হলেও সত্যি যে, গণপিটুনিতে অংশ নেয়ার অপরাধে বাংলাদেশে কারো সাজা হয়েছে বলে কোনো রেকর্ড নেই। অথচ এ জাতীয় অপরাধের অসংখ্য খবর আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাই। অনেকে বলেন, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় অপরাধী সাজা পায় না বলেই এ আয়োজন। কিন্তু অপরাধীকে সাজা দিতে গিয়ে নিজে আরেকটি দ-নীয় অপরাধ করে ফেলা কোন যুক্তিতে মেনে নেয়া যায়? রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং আস্থা রাখা আপনার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পুরোপুরি পালন না করে বরং আরেকটি অপরাধ করার মতো আইনগত বা নৈতিক ভিত্তি আপনার নেই। প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে আপনি নিজে নতুন পদ্ধতিতে বিচার প্রক্রিয়া বা আইন হাতে তুলে নেয়ার কাজটি করতে পারেন না। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অযথা নতুন অপরাধের জন্ম দিয়ে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থাকে আপনি বিতর্কিত করে তুলতে পারেন না। বরং বিচার পদ্ধতির সংস্কার বা সংশোধন কিংবা আইনের পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করাটাই একজন সুনাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/musa29/568/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দুদক কি মহীউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার ?</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/samsul-alam-mehedi/566</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/samsul-alam-mehedi/566#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2009 01:24:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>samsul alam mehedi</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/samsul-alam-mehedi/566</guid>
		<description><![CDATA[ হাসান মশহুদকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছিল কিন্তু তিনি ওই ডাকে যাননি। এরপর হাসান মশহুদ দুদক থেকে পদত্যাগ করেন। এখন আবার দুদকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছে।তিনিও ওই ডাকে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। দুদকের মতে,স্থায়ী কমিটি তাদেরকে তলব করতে পারে না। দুদক শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি।
 এখন প্রশ্ন হলো, যে স্থায়ী কমিটি দুদককে তলব [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> হাসান মশহুদকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছিল কিন্তু তিনি ওই ডাকে যাননি। এরপর হাসান মশহুদ দুদক থেকে পদত্যাগ করেন। এখন আবার দুদকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছে।তিনিও ওই ডাকে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। দুদকের মতে,স্থায়ী কমিটি তাদেরকে তলব করতে পারে না। দুদক শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি।<br />
 এখন প্রশ্ন হলো, যে স্থায়ী কমিটি দুদককে তলব করেছে, ওই কমিটির  প্রধান হলেন দুদকের মামলায় আসামী, যিনি দুদকের মামলায় জেলও খেটেছেন। যার নাম মহিউদ্দিন খান আলমগীর। </p>
<p>বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে টিআইবির চেয়ারম্যানসহ অনেকে মন্তব্য করেছেন,দুদক এখন মহিউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/samsul-alam-mehedi/566/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নেই কাজ&#8230;.খই ভাজ&#8230;..</title>
		<link>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/sharaat/565</link>
		<comments>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/sharaat/565#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Apr 2009 18:27:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>sharaat</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://banglablog.bdnews24.com/index.php/sharaat/565</guid>
		<description><![CDATA[আজ তেমন কোনো খবর নাই, তাই বিরক্তিকর সময় কাটাতে এই লেখা। আবার লিখতে দেখলেও ঝামেলা&#8230;&#8230;..
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আজ তেমন কোনো খবর নাই, তাই বিরক্তিকর সময় কাটাতে এই লেখা। আবার লিখতে দেখলেও ঝামেলা&#8230;&#8230;..</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://banglablog.bdnews24.com/index.php/sharaat/565/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>

