bdnews24.com banglablog

ডঃ আলমগীর কাঞ্চন এর পোস্টগুলো

পাঠ্য বই সঙ্কট: সমাধানের একটি প্রস্তাবনা

১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৫ অপরাহ্ন

আমাদের দেশে প্রতি শিক্ষাবছরের শুরুতে কিছু লোকের খামখেয়ালি কিংবা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারায় পাঠ্যবই নিয়ে সংকট লেগেই থাকছে। একটি সহজ সমাধান হতে পারে, শিক্ষাবছরের শুরুতে সবগুলো বই PDF ফরমেটে অনলাইনে দিয়ে দেয়া। ওয়েব অ্যাড্রেস জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে যাদের প্রয়োজন সবাই ডাউনলোড করে নিবেন। আমাদের মনে রাখতে হবে পাঠ্যপুস্তক কোন লাভজনক ব্যবসা নয়। সরকার প্রকাশক ঠিক করে যাতে তারা কিছু কমিশন নিয়ে ঠিক সময়ে বই বাজারে সরবরাহ করতে পারে। এটাও জেনে রাখা ভাল যে বই বাছাই, রচনা, সম্পাদনার কাজ কিন্তু সরকার নিজেই করে। তাই PDF ফরমেটে বই অনলাইনে দিতে কোনো সমস্যা হবার কথা নয়।

আপনাদের মতামত দিন। চলুন সবাই মিলে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করি ।


ষাপ্নিক প্রতিদিন আলো সবখানে

১৬ মার্চ ২০০৯ ১১:২৬ পুর্বাহ্ন

ইদানিং আমাদের অনেকের মনখারাপ।চারিদিকে এতো কিছু ঘটে যাচ্ছে তাল রাখাটা দায় হয়ে উঠছে। সবকিছু মনে রেখেও আমরা ভাল থাকতে চাই।
আজকে আমার মন খারাপ অন্য কারনে। আমার এক প্রবাসি বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিলো, বারে বারে জানতে চাচ্ছিলো দেশ এ কি হচ্ছে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে ইত্যাদি। দেশে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সব বিষয় নিয়ে শুনতে চাচ্ছিলো বুঝতে পারছিলাম কিন্তু আমি নিরাশাবাদি নই। আমি বলছিলাম সব ঠিক হয়ে যাবে আমার এই ঠিক হয়ে যাবে শুনতে নারাজ আমার বন্ধুটি।আমার মনে হচ্ছিলো শুনতে চাচ্ছে দেশ ভয়াবহ সঙ্কটে এরকম কিছু কিন্তু ওই যে বললাম আমি আশাবাদী মানুষ।আমি মনে প্রানে আশা করি এবং এটা বিশ্বাসও করি যে সব ঠিক হয়ে যাবে। মাঝে মাঝে অনেক দেশে এরকম পর পর কিছু জটিল পরিস্থিতির উদ্ভভ হয় এবং উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আবার দেশ দাঁড়িয়ে যায়, আমরাও দাড়াবো।আমার বন্ধুটিকে আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছি কিন্তু বন্ধুর মন ভরে না, আমি যদি বলতাম দেশ গভীর সঙ্কটে তাহলে হয়তো বন্ধু খুশি হতো। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এর চেয়ে অনেক বড় বড় সঙ্কট আমরা নিজেরাই কাটিয়ে উঠেছি।
ইদানিংকালে আমাদের একটা অভ্যাস হয়ে গেছে দেশে যত অঘ্টন ঘটে কিংবা ঘটছে সব কিছুর জন্য আমরা রাজনীতিবিদদের দোষ দেই। হয়ত রাজনীতিবিদরা দায়ী কিছু কিছু সমস্যার জন্য কিন্তু সব কিছুর জন্য কোনক্রমেই নয়। আমরা যদি আমাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে নিজের কাজগুলো সঠিকভাবে করি তাহলে দেশ অনেক সুন্দর হয়ে যেতো। আমি খুব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা যদি আমাদের নিজের কাজগুলো ঠিকমত করি এবং মনে রাখি এ দেশ আমার আমাদের আর এদেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে তাহলে সামনে কোন হতাশা আমাদের গ্রাস করতে পারবে না।আমরা ইদানিং অনেক সাদা মানুষের গল্প দেখছি কোথাও কোথাও একদম ব্যক্তিগত উদ্যোগ দেখে প্রশংশায় পঞ্ছমুখ হচ্ছি। এই যে আমরা এত দেখছি এবং শুনছি আমরা শিখছি না এটা দুঃখজনক।যারা এই সব সাদা মানুষদের আমাদের সামনে তুলে ধরছেন তাদেরকে আমার সালাম।এরকম অনেক লোক আমাদের এই সমাজে বাস করছেন তাহলে আমরা কেন পারবোনা, অবশ্যই পারবো। যাক যে কথা বলছিলাম মন খারাপ করে না থেকে আমরা আমাদের কাজগুলো ঠিকমত যদি করি তাহলে আমারাও মাথা উচু করে একদিন দাড়াবই।
আমাদের সামনের দিন গুলো কঠোর পরিশ্রম আর আমাদের ইচ্ছা শক্তি কাজ়ে লাগিয়ে মানবতাকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাবো, আমার আজকের মন খারাপ কাল থাকবে না। প্রতিটী আগামীকাল আমাদের জন্য সুন্দর এবং আনন্দময় হবে, আমরা আমাদের দেশকে প্রচন্ড ভালবাসি, এ কথাটি প্রতিদিন যেন মনে রাখি।


ষাপ্নিক প্রতিদিন আলো সবখানে

৮ মার্চ ২০০৯ ২:২৫ অপরাহ্ন

আজ কিছু ভালো লাগছে না|কয়দিন থেকে মন ভাল নেই একদম|কোথাও যেনো কোন অশুভ চক্র আমাদের সব কিছু একদম সবকিছু নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাচ্ছে| আমরা কিছু বুঝি কিছু বুঝিনা|আমাদের এই এক যন্ত্রনা| বুঝলেও বলা যাবেনা| মুখ বন্ধ করে থাকাটা সময়ের দাবি|এরকম সময় খুব বেশিদিন চলতে পারেনা|আমরা দেখবো শুনব কিন্তু কিছু বলা যাবেনা আমরা বলতে চাই ও না| আমাদের আশা এই সময় থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা বার হয়ে আসবো|ইদানিং যোগাযোগ বা তথ্য সহজে পাওয়া যায় বলে আমরা অনেক কিছু জেনে যাই সহজে| মাঝে মাঝে আমার মনে হয় এতো তথ্য আমরা না জানলেও আমাদের এমন কোনো ক্ষতি হতো না | আমার একজন খুব শ্রদ্ধার মানুষ ছিলেন আমাকে বলতেন কেন এত তথ্য তোমাদের দরকার হয়, নিজের বিষয় নিয়ে সময় কাটাও দেখবে সহজে মন খারাপ হবেনা|তখন সবে মাত্র আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে শিখেছি| আমি চ্চেটা করছি আমার এই শ্রদ্ধেয় জনকে কিভাবে ইমেইল করতে হয় শিখাতে, মনে পরে স্যার আপনাকে|একবার ৯৮ তে যখন অনেক বন্যা আপনি প্রতিদিন সকালে এসেই আমাকে জিজ্ঞেস করতন ঢাকায় পানি উঠতে কত বাকি আমার বাসায় পানি উঠে গেল কিনা, কি যে মন খারাপ করে থাকতেন তখন, আমার আজ ও যখন এরকম কোন কঠিন মন খারাপের সময় আসে আপনাকে মনে পরে|আপনাকে ভুলে যাইনি স্যার|আজকে যখন জাতিয় বিপযয়ের সামনে তখনো আপনাকে মনে পড়ছে| যেকথা বলছিলাম আমরা এই সময় থেকে যতো দ্রুত বার হতে পারব আমাদের জন্য তত মঙ্গল|আমরা এরকম দম বন্ধ করা ঘুমট অবস্থায় থাকতে অভ্যস্থ হতে চাইনা|আমাদের এই সব অন্ধকার সময় থেকে বার হয়ে আসতে হবে এবং আমরা অবশ্যই সামনে আলোকিত সময়ের অপেক্ষায় থাকবো|


amar desh amar shopno: bikhhipto bhabna

৯ জানুয়ারি ২০০৯ ১২:০৪ অপরাহ্ন

amra shopno dekhchi, kokhno kokhono mone hote parey shopogulo dush-shopno na hoye jay abar. amra jokhon dipu moni ke dekhi kinba dr. afsarul amin er moto ekjon ekebarei rajpoth er shongi kinba nurul islam nahid er moto lok amader desher guruttopurno montronaloyer dayitto prapto hon tokhon amra shopno dekhtei pari. apatoto nahoy dushshopno niye nai ba bhablam. shope thake shapnik hoi. desh ke beshi kore bhalobashi, desh mati amader shobar priyo hoye uthuk.


amar desh amar shopno: bikhhipto bhabna

৫ জানুয়ারি ২০০৯ ১:৫৫ অপরাহ্ন

aaj ekhon ei sokale vote diye ashlam. onek bochor porey vote er shomoye desh e achi. chomotkar ekta onubhuti. ke jitbe sheta niye ami ekhuni bhabte chaina. dirghodin porashunar jonno desh er baire thekechi bole hoyto oneker cheye onek beshi onubhob kori ei desh, desher mati r ei amar banglar sadharon manushguloke. ki je chomotkar pran