bdnews24.com banglablog

মার্চ, ২০০৯ এর আর্কাইভ

______সোনার বাংলাদেশ_______

M.A Mannan | ২৮ মার্চ ২০০৯ ১১:১০ পুর্বাহ্ন

স্বাধীনতা মানে পুকুরে,বিল,ঝিলে,নদী,সাগরে
মাছদের অবাদ সাঁতার।
______স্বাধীনতা মানে পাখিদের
______নীল আকাশ জুরে স্বাধীন বিচারণ।
স্বাধীনতা মানে সবুজ গাছদের বনে, জঙ্গলে,রাস্তার ধারে,
নির্মল বাতাসে ছায়া দান।
______স্বাধীনতা মানে চঙ্চল প্রজাপতির
______রং বেরং এর পাখনা মেলে উড়ে বেড়ানো।
স্বাধীনতা মানে পশুর ছানাদের
মায়ের সাথে খুনসুটি আর এদিক ওদিক ছুটাছুটি।
______স্বাধীনতা মানে গভির রাতে
______তারাদের অভিসার।
স্বাধীনতা মানে জোনাকিদের
রাতভর আলো দান।
______স্বাধীনতা মানে লাখো শহীদের
______রক্তে কেনা মুক্ত সোনার দেশ।
______স্বাধীনতা মানে সবুজ পতাকায়
______লাল সুর্যের সোনার বাংলাদেশ।
**********


______মেঠো পথে পথিক হাটে রৌদ্র ছায়ায়_______

M.A Mannan | ২৮ মার্চ ২০০৯ ১১:০৯ পুর্বাহ্ন

চৈএ এর খরতাপে
রোদে রোদে যায় বেলা
মেঘের ছায়ায় শঙ্খচিল নিলীমায় উড়ে বেড়ায়।
কাকগুলো হা করে
তৃঙ্চনার প্রহর গুনে
পাখির ছানারা চেঁচিয়ে উঠে মায়ের ঠোঁটের খাবার খোঁজে ।
মেঠো পথে পথিক
বহু দুরে যায়
বটের ছায়ার তলে খানিক জুরায়।
______মেঘের ছায়ায় শঙ্খচিল,
______দ্বি-প্রহরে কাক;
______মেঠো পথে পথিক হাটে রৌদ্র ছায়ায়!!!!

***********


_______বসন্তের কাকের সাতকাহন_______

M.A Mannan | ২৩ মার্চ ২০০৯ ১১:১৫ পুর্বাহ্ন

গাছ বিহীন এই নগরে,ইট সুরকির এই দালানে,
এক জোরা পাতি কাকের সাতকাহন!!!!!
ঝাড়ুর সোলা ও অন্যান্য আবজনার অংশ বিশেষ-
সংগ্রহে মহা ব্যবস্থ!পাতি কাক জোড়া;
বাসা তৈরী আর ডিম ফুটানোর তাগিদে।
এ এক মহা আয়োজন!
খাবার খোঁজা আর বাসা তৈরীর কাজ।
___[৬তলা ভবনের ৫ম তলার দখিন-পশ্চিম কনায় সান সেটের
নিচে পয়:নিষ্কাশন পাইপের একটু জায়গায় এই আয়োজন]
তৈরীর শেষ পর্যায় বাসাটির ৭ম দিনে,
হটাত গেল ভেঙ্গে।
আবার শুরু নতুন করে——–
স্বপ্নের বাসা তৈরী হয়,বসন্তের এই দিনে।
কোকিলের অত্যাচার বিহীন এই নগরে,
পাতি কাক জোরা ডিমে তা দেয় নি:চিন্তে।
________স্বপ্ন দেখা,ডিম ফুটানো
________ছানার ঠোঁটে,খাবার জোগানো;
________মায়ের ঠোঁটে, গিলছে দানা,
________লেজ উচিঁয়ে, মেলছে ডানা।
*******************


______তোমার মিতালী আমার____

M.A Mannan | ২২ মার্চ ২০০৯ ১:৩৪ অপরাহ্ন

হে ফাগুন,
তোমার মিতালী আমার,
সময়কে রঙ্গীন করে।
প্রজাপতির পাখায়,
দল বেধেঁ লাল পিপড়ার সারি,
বাতাসে ফরিং এর দল,
ডুপ সাঁতারে মাছের ঝাঁক,
সবুজ পাতার ফাঁকে বৌ কথা কও,
দখিনা বাতাসের মত শিহরণ জাগায়,
তরতাজা লাউ এর ডগায় বাঘা ফরিং,
ভাবনার জ্বালে দোল খায়।
সে কি তোমার জন্য??
ভাবনায় বুঁদ হয়ে থাকা,সরীস্রিপের মত শীত নিদ্রা শেষে,
খলস এরানের অপেখায়।
হে ফাগুন,
তোমার মিতালী আমার,
এবরো থেবরো জীবনকে সজীব করে।
**************


_____শালিক ছানার হলুদ ঠোঁট______

M.A Mannan | ২২ মার্চ ২০০৯ ১:৩৪ অপরাহ্ন

সময়কে ছোঁয়ার জন্য কবিতার হাতছানি,
ফাল্গুনে পলাশের মত,
কৃষন্চুড়ার লাল দল।
হাজার বছল আগে!!!!!
হলুদাভা সোনালু ফুলে সাজানো বাসরে,
কৃষ্নকুমারী বাংলার!মাতৃজঠরে পুষ্ট হয়,
পদ্যের জন্য কবির,
এবং কবিতার সহযাপন মেঘ আর বৃষ্টির মত।
স্বপ্ন মেঘমালা মেঘের ভেলায়,মেঘে মেঘে ঘুরে বেড়ায়,
বসন্তের এই পাগলা হাওয়ায়।
মন উদাস করা দখিনা বাতাস স্বপ্ন বোনে,
শালিক ছানার হলুদ ঠোঁট আর নতুন পাতার মত সতেজ,
বসন্তের এই দিনে।
_________দ্বিপ্রহরের তীব্র রোদে
_________আকাশ হারায় দুরে,
_________মেঘের ছায়ায় কৃষক তার;
_________গরুর লাঙ্গল টানে।
***************


স্বাধীনতার ঘোষক কে? আর কত দিন?

বাহারুল ইসলাম | ২২ মার্চ ২০০৯ ১:৩৩ অপরাহ্ন

আর কত দিন এই বিতর্ক যে স্বাধীনতার ঘোষক কে? আমরা আর সইতে পারছি না। এই বিতর্ক শুনতে শুনতে কান ঝালা পালা হয়ে গেল। এই বিতর্ক কি প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলতে থাকবে? এর কি কোন শেষ হবে না? নাকি এরই নাম রাজনীতি। এই একটি বাক্যের উপর ভর করেই কি আমাদের দেশ চলবে? আমাদের দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কি এটাই পুজি? হয়তোবা রাজনীতিতে আসবেন জিয়া পুত্র তারেক রহমান ও হাসিনা পুত্র জয়। তারাও কি এটাকে পুজি করে রাজনীতি করবেন? এ সকল প্রশ্নের কোন উত্তর আমি খুজে পাই না।

কে স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন এটা বড় কথা নয়। আমরা একটা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি এতাই বড় কথা। এ স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে বেশী অবদান আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রাহমান ও মেজর জিয়াউর রাহমানের এ কথা সবাই জানে। আরও অবদান আছে লাখ শহীদের রক্ত। এতো রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন বাংলাদেশ এটাই এখন মুল বিষয়। বাংলার জনসাধারন যে ইতিহাস জানে সেটা হলো মেজর জিয়া বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধিনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন।

বর্তমান বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে তোলপাড়, যখন তারা তাদের সমস্ত মনজোগ দিচ্ছে কিভাবে তারা তাদের অর্থনীতিকে আবার পুনরুদ্ধার করবে তখন আমরা আমাদের সংসদে বিতর্কে ব্যস্ত কে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিল!
তাহলে আমাদের দেশ কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে? যখন মালয়েসিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই, সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক প্রতিদিন ফিরে আসছে, তখন আমরা ব্যস্ত আমাদের দেশ চলার কেন্দ্র বিন্দু সংসদে বিতর্কে কে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিল?

আমি মনে করি কে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিল তা নিয়ে বিতর্ক না করে আমরা আমাদের দেশকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সেইদিকে মনজোগ দেয়া। এখেত্ত্রে এক দল আর এক দলকে কিছুটা ছাড় দেয়ার মন মানুসিকতা থাকতে হবে।

আমরা চাই একটি সম্ম্রিদ্ধ বাংলাদেশ।


আর কতদিন এভাবে চলবে? এ খেকে মুক্তির কি কোন উপায় নেই?

kauser | ১৭ মার্চ ২০০৯ ১১:৩২ পুর্বাহ্ন

গতরাতে সূর্যসেন হলে আমাদের পত্রিকার জন্য কাজ করছিলাম। এর মধ্যে রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ একটা ফোন আসল। ‍‌তোমাদের হলে নাকি ব্যাপক মারামারি হচ্ছে? পুলিশে রেড দিচ্ছে নাকি?”
আমি বললাম আমি তো হলের বাইরে আপনাকে জানাচ্ছি। এর মধ্যে খবর নিয়ে জানতে পারলাম যে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে আবারো মারামারি করেছে। জিয়া হলে এই প্রথম নয়। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগ যে দলই হলে থাকুক না কেন জিয়া হলে মারামারি হবে না বা হয়নি এরকম টা কেউ বলেত পারবে বলে আমার মনে হয় না। আমি বুঝিনা দেশের নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল বাংলাদশের কথা বলে, তারুণ্যনির্ভর সমাজের কথা বলে আওয়ামী লীগের মহাজোট ক্ষমতায়ং আসার পর খেকে এসব কি দেখছি আমরা। নিজেদের গোত্রে গোত্রে মারামারি। ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে সংঘাত। এর নাম কি ডিজিটাল তারুণ্য।

আমি এই নির্বাচনের প্রথম ভোটটি দিয়েছি। এবং সেটি নৌকায় দিয়েছি। দেখেছি যে নির্বাচনের দিন বিকেল থেকে ছাত্রদলের ছেলেরা হল ছেড়ে হাকিম চত্ত্বরের দিকে ব্যাগ ব্যাগেজ নিয়ে যাচ্ছে। এবং সর্বশেষ রাত ১০ টার দিকে তারা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায়। আমি এ কথাগুলো এই কারণে বললাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগহকে তো কোন হল দখল করতে হয়নি। সবকয়টি হলই তারা পেয়েছে । নিজেদের মত নিজেরা সাজিয়ে নিয়েছে কেউ কেউ। তারপরও কেন এই হতাহতর ঘটনা কেনই বা হলের অভ্যন্তরে পুলিশের পেটোয়া বাহিনী নিয়ে আনার দরকার। কেনই বা দুই একদিন পরপরই ক্ষমতার মহড়া চলে ক্যাম্পাসে। বরিশাল গ্রুপ না ফরিদপুর গ্রুপ কার কতটুতকু নিয়ন্ত্রণ এটা বোঝাতে? এরা কোন গঠনমূলক কাজে নেই আছে শুধূ ধ্বংসাত্মক কাজে। কিভাবে ভাংচুর বরা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে ওঠানোর প্রথম শর্ত থাকে কে কতটুকু ক্রেজি। কে কত বেশি মারামারি করতে পারে। তার ভিত্তিতে তাকে পলিটিকাল বড়ভাইরা রুমে তোলে। এই রুমের আবার নানা রকম শ্রেণীবিভাগ আছে। একেকজনের পারফমেন্সের উপর তার রুমপ্রাপ্তি ডিপেন্ড করে। খুবই অদ্ভূত লাগে। মাঝে মাঝে নিজেদের উপর ঘৃণাও হয়।

শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয় জাহাঙ্গীরনগন, চট্গ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের সকল কবশ্ব্বদ্যালয়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। এই অস্থিরতা কেন হচ্ছে? কারা এই গুলো থেকে ফায়দা লুটছে এটা সবারই জানা। তবে এইসব অস্থিরতা বন্ধ হোক শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করুক আমরা এটা চাই। খাতা কলমের বদলে বন্ধুদের হাতে রড, চাপাতি দেখতে কার ভাল লাগে? আমরা এই অপসংস্কৃতি থেকে মুক্তি চাই। এভাবে চলার দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না।

আমাদের শুধু এটুকু চিনন্তা করলেই যথেষ্ট গতরাতে জিয়া হলে যে ছেলেটি মার খাচ্ছে সেও ঢাবির শিক্ষার্থী আমার সহপাঠী বা বন্ধু। যে মারামারি করছে সেও আমার সহপাঠি বা হলের বন্ধু। এর চেয়ে বড় কষ্টের আর কী হতে পারে। আমরা এই বিশৃঙ্খলার সমাপ্তি কামনা করি।

http://www.somewhereinblog.net/blog/orkasifshawon/28925216


ষাপ্নিক প্রতিদিন আলো সবখানে

ডঃ আলমগীর কাঞ্চন | ১৬ মার্চ ২০০৯ ১১:২৬ পুর্বাহ্ন

ইদানিং আমাদের অনেকের মনখারাপ।চারিদিকে এতো কিছু ঘটে যাচ্ছে তাল রাখাটা দায় হয়ে উঠছে। সবকিছু মনে রেখেও আমরা ভাল থাকতে চাই।
আজকে আমার মন খারাপ অন্য কারনে। আমার এক প্রবাসি বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিলো, বারে বারে জানতে চাচ্ছিলো দেশ এ কি হচ্ছে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে ইত্যাদি। দেশে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সব বিষয় নিয়ে শুনতে চাচ্ছিলো বুঝতে পারছিলাম কিন্তু আমি নিরাশাবাদি নই। আমি বলছিলাম সব ঠিক হয়ে যাবে আমার এই ঠিক হয়ে যাবে শুনতে নারাজ আমার বন্ধুটি।আমার মনে হচ্ছিলো শুনতে চাচ্ছে দেশ ভয়াবহ সঙ্কটে এরকম কিছু কিন্তু ওই যে বললাম আমি আশাবাদী মানুষ।আমি মনে প্রানে আশা করি এবং এটা বিশ্বাসও করি যে সব ঠিক হয়ে যাবে। মাঝে মাঝে অনেক দেশে এরকম পর পর কিছু জটিল পরিস্থিতির উদ্ভভ হয় এবং উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আবার দেশ দাঁড়িয়ে যায়, আমরাও দাড়াবো।আমার বন্ধুটিকে আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছি কিন্তু বন্ধুর মন ভরে না, আমি যদি বলতাম দেশ গভীর সঙ্কটে তাহলে হয়তো বন্ধু খুশি হতো। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এর চেয়ে অনেক বড় বড় সঙ্কট আমরা নিজেরাই কাটিয়ে উঠেছি।
ইদানিংকালে আমাদের একটা অভ্যাস হয়ে গেছে দেশে যত অঘ্টন ঘটে কিংবা ঘটছে সব কিছুর জন্য আমরা রাজনীতিবিদদের দোষ দেই। হয়ত রাজনীতিবিদরা দায়ী কিছু কিছু সমস্যার জন্য কিন্তু সব কিছুর জন্য কোনক্রমেই নয়। আমরা যদি আমাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে নিজের কাজগুলো সঠিকভাবে করি তাহলে দেশ অনেক সুন্দর হয়ে যেতো। আমি খুব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা যদি আমাদের নিজের কাজগুলো ঠিকমত করি এবং মনে রাখি এ দেশ আমার আমাদের আর এদেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে তাহলে সামনে কোন হতাশা আমাদের গ্রাস করতে পারবে না।আমরা ইদানিং অনেক সাদা মানুষের গল্প দেখছি কোথাও কোথাও একদম ব্যক্তিগত উদ্যোগ দেখে প্রশংশায় পঞ্ছমুখ হচ্ছি। এই যে আমরা এত দেখছি এবং শুনছি আমরা শিখছি না এটা দুঃখজনক।যারা এই সব সাদা মানুষদের আমাদের সামনে তুলে ধরছেন তাদেরকে আমার সালাম।এরকম অনেক লোক আমাদের এই সমাজে বাস করছেন তাহলে আমরা কেন পারবোনা, অবশ্যই পারবো। যাক যে কথা বলছিলাম মন খারাপ করে না থেকে আমরা আমাদের কাজগুলো ঠিকমত যদি করি তাহলে আমারাও মাথা উচু করে একদিন দাড়াবই।
আমাদের সামনের দিন গুলো কঠোর পরিশ্রম আর আমাদের ইচ্ছা শক্তি কাজ়ে লাগিয়ে মানবতাকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাবো, আমার আজকের মন খারাপ কাল থাকবে না। প্রতিটী আগামীকাল আমাদের জন্য সুন্দর এবং আনন্দময় হবে, আমরা আমাদের দেশকে প্রচন্ড ভালবাসি, এ কথাটি প্রতিদিন যেন মনে রাখি।


অন্তত অমানুষ তো হয়নি

দাদু ভাই | ১৪ মার্চ ২০০৯ ১:২৯ অপরাহ্ন

বাবা তুমি বলেছিলে
মানুষ করবে তোমার খোকাকে।
কিন্তু তুমি চলে গেলা তোমার খোকাকে ছেড়ে।
একেলা রেখে এই বিশাল ভুবনে
সেই অচেনার দেশে।
মা, সে ও তো গিয়েছে সেই কবে
তুমি বোধ হয় অনেক বেশী ভালবাসতে মাকে
তাইতো তুমি চলে গেলে তারই কাছে।
একটি বারও ভাবলে না
তোমাদের এই খোকার লাগি
কেমনে খোকা বেঁচে থাকবে তোমায় ছাড়ি?
যতই দূরে থাক তোমরা
ভুলেনি তোমাদের খোকা।
মানুষ যদিও হতে পারেনি
অন্তত অমানুষ তো হয়নি।
প্রতি পলকে তোমাদেরকে স্বরনে রেখে
মুক্ত আছে সকল অন্যায় অবিচার থেকে।
আজি এই পত্রখানি লিখলাম আমার ব্লগে
জানি না পৌঁছবে কিনা তোমাদের কাছে।
তোমাদের অভাব পূরন হয় নাই
আর হবেও না ইহ জগতে
তোমাদেরকে সর্বক্ষণ মনে পড়ে ।


সার্ভিস চার্জ

Anwar Hossen | ১২ মার্চ ২০০৯ ১১:৫২ পুর্বাহ্ন

বাংলাদেশে এমন অনেক ব্যাংক রয়েছে যেগুলো সার্ভিসের নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করে চলেছে, এমন একটি ব্যাংকের নাম ব্র্যাক ব্যাংক। এই ব্যাংকটি সঞ্চয়ী একাউন্টে বাৎসরিক টাকা কর্তন করে ১৭৪৮ টাকা। যেখানে একটি সরকারী ব্যাংক বার্ষিক টাকা কর্তন করে ১৮০ টাকা, সেকানে একটি বেসরকারি ব্যাংক টাকা কর্তন করে উক্ত টাকা। ইহা কোন ধরনের বিমাতাসুলভ আচরণ ? মাননীয় বাংরাদেশ ব্যাংক গভর্ণর-বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিলে সাধারণ জনগণ অনেক উপকৃত হবে। আশা করি যে যে অবস্থানে আছেন বিষয়টি সরকারের উচ্চ মহলে জানানোর চেষ্টা করবেন।
আনোয়ার হোসেন
০১৭১২-৫৭১০০২