bdnews24.com banglablog

জানুয়ারি, ২০০৯ এর আর্কাইভ

তেলের দাম কমলেও কমেনি গাড়ী ভাড়া

mahfuzec | ৩১ জানুয়ারি ২০০৯ ৭:৪৪ অপরাহ্ন

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে তেলের দাম কমেছে নাম মাত্র। ৫৬ টাকার ডিজেল ২ ধাপে দাম কমে এখন ৪৪ টাকা হয়েছে। গাড়ী ভাড়া ১ পয়সাও কমেনি। রাজধানীসহ মাঠপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীরা প্রতিনিয়ত প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। কোথাও কোথাও উতপ্ত তর্ক বিতর্ক ও সহিংস ঘটনা পর্যন্ত ঘটছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের যানবাহন কর্তৃপক্ষ তাদের রামরাজত্ব বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে জনগণের সাথে সরকারের দুরুত্ব তৈরি হচ্ছে। তাই জণগণের প্রত্যাশা সরকারের মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবে।


দালাল হতে সাবধান

mahfuzec | ৩০ জানুয়ারি ২০০৯ ২:১১ পুর্বাহ্ন

প্রতিটি সরকারী হাসপাতালে লেখা থাকে “‌‍দালাল হতে সাবধান”। আসলেই কি দালাল হতে সাবধান হতে পেরেছে সাধারণ মানুষেরা। সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত সরকারী দালালের খপ্পরে পড়েই প্রতিনিয়ত হয়রানী ও সম্পদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবার জন্য আসা দরিদ্র অসহায় মানুষগুলো। প্রতিজন ডাক্তারের পার্সোনাল একটি করে ক্লিনিক আছে। সেটা কিন্তু সরকারী নয়। তাই সাধারণ মানুষগুলো আজ মুক্তি চায় সরকারী দালালের খপ্পর হতে। দেশ এগিয়ে গেলেও দালালেরাও তাদের দালালীর জন্য এগিয়ে রয়েছে।


____সবুজ ঘাসের কানে শিশিরের দুল____

M.A Mannan | ৩০ জানুয়ারি ২০০৯ ২:১০ পুর্বাহ্ন

তোমার সুবর্ণ আচঁলে, লেগে ছিল দখিনা বাতাস
কবিতার বিনোনীর মত।
ঝির ঝিরে মুদু স্পর্শ-সুখের অন্নিদ্য প্রহর।
সে কি শুধু কবিতার জন্য ?
না কি মৃত কফিনের জন্য ?
অষ্ঠ প্রহর অপেঙ্খা,অজগরের মুখে মৃত খোরগের মতন।
সবুজ টিয়ার লাল ঠোঁট-
সবুজ ঘাসের কানে শিশিরের দুল,
অচেনা গাংচিল ঢেউ গুনে গুনে হয় আকুল।
ভাবনার বাতায়নে-একি চঙ্চল বাতাস,
তোমার স্পর্শকাতর এলো চুলের মত,চঙ্চল চোখ ঢেকে ছিল!
ভাবনার আবিরে।
**************


ডিজিটাল বাংলাদেশ ও আমার ভাবনা

mahfuzec | ৩০ জানুয়ারি ২০০৯ ২:০৯ পুর্বাহ্ন

সেই পুরাতন চিঠি গুলো হয়তবা ইদুরে খেয়ে ফেলেছে। কারণ কতকাল এগুলো দেখিনা। আর চিঠিও লিখিনা। কারণ ডিজিটাল বাংলাদেশের খুড়িয়ে চলা ইন্টারনেট সংযোগের ঝিমিয়ে ডেলিভারী হওয়া ইয়াহু অথবা জিমেইলের সাথে যুক্ত।


ব্লগে নুতন যোগ দিলাম

sagorsen | ৩০ জানুয়ারি ২০০৯ ২:০৮ পুর্বাহ্ন

ব্লগে নুতন যোগ দিলাম। সবার মঙ্গল কামনা করছি।


সেমিনার

Raihan sayeed | ২৭ জানুয়ারি ২০০৯ ৩:০৬ অপরাহ্ন

আজ খুব সকাল সকাল উঠেছেন মিসেস করিম। এরকম সকালে তার ঘুম ভাঙ্গে না । আজ সকালেই একটা সেমিনারে যেতে হবে , বিদেশী ডেলিগেটরা আসবে তাই সকাল সকাল বিছানা ছাড়েন মিসেস করিম। বারান্দায় গিয়ে দেখেন কুয়াশায় ঢাকা ঢাকা শহর কে। বেশ কুয়াশা পড়েছে, দুরের জিনিস স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছেনা। বারান্দায় গিয়ে ভাবলেন এক কাপ ধোয়া ওঠা গরম চা খেতে পারলে ভালো লাগতো। বারান্দা থেকে ভিতরে এসে বাসার ভৃত্য জরিনার রুমে গিয়ে ডেকে তুলেন মিসেস করিম
- কি রে ঘুম ভাঙ্গে নাই ?
দরজা খুলে মিসেস করিম কে দেখে চোখ বড় বড় হয়ে যায় জরিনার। ভাবে অনেক দেরী হয়ে গেছে উঠতে। অপরাধী চোখে তাকায়ে বলে
- কাল ঘুমাতে একটু দেরী হইয়া গেছিল তাই উঠতে দেরী……
- আরে এখনও তো ভাল করে সকাল হয় নাই , আমিই আজ তাড়াতাড়ি উঠলাম। শোন , হাত মুখ ধুয়ে আমার জন্য এক কাপ গরম লেবু চা দিয়ে যা বারান্দায়।
বলেই চলে গেলেন মিসেস করিম।
এই ফ্ল্যাটে এক রুমে থাকেন মিসেস করিম, আরেক রুমে তার সাহেব। তাদের পারসোনাল কাজে সমস্যা হয় বলে দুজন দুই রুমে থাকেন। তাদের একমাত্র ছেলে হাসিব ইউ কে তে পড়াশুনা করে। করিম সাহেবের বিশাল ব্যবসা। সারাদিন ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন তিনি। আর মিসেস করিম ও একজন ব্যস্ত মানুষ। একটা এনজিও আছে তার। সমাজের দুঃস্থ মহিলাদের জন্য তারা কাজ করে। বিদেশ থেকে ডোনার রা আসে তাদের সামলানো, আসহায় মহিলাদের নিয়ে কাজ করা , সেমিনার, বিদেশ ভ্রমন, লেখা লেখি নানান কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। এরই সাথে শরীর টাও ধরে রেখেছেন। বয়স ৪৫+ কিন্তু এখনও মেদ হীন শরীর , চেহারায় যথেষ্ট লাবন্য রয়েছে, গলায় , চোখের কোনে কোন ভাজ পড়ে নাই এখনও, অনেক মহিলার চোখে ইর্ষনীয়, অনেক পুরুষের কল্পনার দেবী তিনি। তার এই এনজিও বাসা বাড়ীর কাজের মানুষদের অধিকার নিয়ে একটা সেমিনারের আয়োজন করেছে। গৃহ পরিচারিকা দের অধিকার নিয়ে তারা এবার কাজ শুরু করবে আর সেই জন্যই আজকের এই সেমিনার। এখানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, বিদেশী ডেলিগেট, সাংবাদিক , সাংস্কৃতিক কর্মী সহ অনেক লোক থাকবে।
- খালাম্মা আপ্নের চা
বারান্দায় বসে ঠান্ডা বাতাস গায়ে লাগাচ্ছিলেন মিসেস করিম , এমন সময় জরিনা চা নিয়ে আসে। জরিনা সকাল থেকেই মিসেস করিম এর ব্যবহারে বেশ অবাক হচ্ছে। গতকাল রাতেও তাকে চুলের মুটি ধরে চড় থাপ্পর মেরেছেন মিসেস করিম। কড়া ভাষা ছাড়া কখনও কথা বলেন না অথচ আজ বেশ ভালো ভাবে কথা বলছেন। তবুও দুরু দুরু বুকে চা নিয়ে যায় জরিনা।
হাত বাড়িয়ে চা নেয় মিসেস করিম। জরিনা দাড়িয়ে থাকে বারান্দায়।
- খালাম্মা একটা কথা কইতাম
- কি?
- বাবায় ফুন করছিল কাইল রাইতে , মা’র শরীল ডা খুব খারাপ, ডাক্তর দেখানো দরকার। মায়ের বুকের ভিতর নাকি ফাপর লাগতাছে , শ্বাস লইতে কষ্ট হইতাছে। কিছু টাকা চাইছে ডাক্তর দেখাইব
- এখন আমি টাকা কোথা থেকে দিব ? যখন তখন টাকা চাইলেই কি পাওয়া যায় ? দেখলি না এই মাসে আমার কত খরচ গেল। ৫/৬ টা বিয়ের গিফ্ট কিনতে হল, বিদেশী মেহমান রা , তোর খালুর মেহমান রা খেল কতবার। আমার হাত পুরো খালি। মাস শেষ হোক, তার আগে টাকা পাবিনা। এখন যা, ঘরের কাজ সার
- মেজাজ টাই গরম করে দিল। একা একা বিড় বিড় করে মিসেস করিম। এই ছোট জাত কে তার কোন দিনই পছন্দ না । কিন্তু কি করবে , বাড়ীর কাজের জন্য লোকজন তো রাখতে হয়। চা না শেষ করেই রুমের ভিতর চলে গেলেন তিনি। শাওয়ার নিতে হবে। তার শাওয়ার মানে সুধু শাওয়ার না , হাত পা এর আঙ্গুল পেডিকিউর, মেনিকিউর করা, মুখে ফেসিয়াল করা, মাথায় গরম তোয়ালের ভাপ নেয়া - সব মিলায়ে প্রায় ২ ঘন্টার অভিযান।

জরিনা তার কাজে মন দেয়। খালাম্মার জন্য এক রকম নাস্তা , খালুর জন্য আরেক রকম নাস্তা। মিসেস করিম সকালে সব্জি সেদ্ধ, জুশ খায় আর করিম সাহেব খায় রুটি, ডিমের সাদা অংশ, ভাজি আর চা। জরিনা মা’য়ের অসুখের কথা ভুলে কাজে মন দেবার চেষ্টা করে। কাজের মাঝে মাঝেই চোখে ভেসে উঠে মা’র চেহারা টা। এক বছর হয়ে গেল প্রায় মা’কে দেখেনা। বাবার অসুখ, আয় রোজগার করতে পারে না , তাই এই বাসায় কাজে পাঠায় দিছে তার মা। ভাবছিল এরা বড়লোক, ভালো থাকবো। জরিনা ভালৈ আছে। সার্ভেন্ট রুমে থাকে, আলাদা টয়লেট। ওর জন্য আলাদা মোটা চালের ভাত রান্না করা হয়, ফ্রীজে ২/৩ দিনের বাসি তরকারি জোটে সেই ভাতের সাথে। না খেয়ে থাকার চেয়ে এই টা বা কম কিসে !!! সাথে মাস গেলে বেতন। জরিনা নাস্তা বানায়ে খাবার টেবিল গোছায়।

করিম সাহেব প্রতিদিনের মত সকালে ঘুম থেকে উঠে এসে ফ্যামিলি লিভিং এ এসে বসে একটা সিগারেট ধরান , জরিনা চা এগিয়ে দেয়। চা আর সিগারেট টা খেতে খেতে দৈনিক পত্রিকায় চোখ বুলান তিনি।
মিসেস করিম টয়লেট থেকে বের হয়ে জরিনা কে ডাকেন। মিসেস এর গলা শুনে অবাক হন করিম সাহেব। তার মিসেস কে তো এত সকালে কখনও ঘুম থেকে উঠতে দেখেন নাই। কি ব্যাপার ?
- হানি এত সকালে ঘুম থেকে উঠলে যে ?
- গুড মর্নিং হানি। আজ একটা সেমিনার আছে সকাল সকাল যেতে হবে তাই আর কি। তোমার কেমন চলছে ? ঐ শিপমেন্ট কি গেছে ঠিক মত?
স্বামী স্ত্রীর ভিতর ফর্মালিটিজ এর সুরে কথা বার্তা চলে কিছুক্ষন। প্রায় ৪/৫ দিন পর আজ কথা হল। করিম সাহেব সময় পাননা কথা বলার। তিনি বিজনেস মিটিং করে বাসায় ফিরেন অনেক রাতে। মিসেস অত রাত পর্যন্ত জাগতে পারেন না , ঘুমিয়ে পড়েন তার মত।

সাহেবের সাথে কথা শেষ করে তার রুমে ঢুকেন মিসেস করিম। আলমিরা থেকে শাড়ী বের করেন। সেমিনার উপলক্ষে গত সপ্তাহে এই জামদানি কিনেছিলেন টাঙ্গাইল শাড়ী কুটির থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা দিয়ে। গত রাতে ব্লাউজ কিনে এনেছেন। শাড়ী পেঁচিয়ে তার সাথে মানান সই গহনা পড়েন তিনি। ম্যাচিং করে স্যান্ডেলও কিনতে হয়েছে তার। সব সময় শপার্স ওয়ার্ল্ড থেকেই কেনা কাটা করেন কিন্তু আজকের সেমিনারে দেশী শাড়ী না পরে গেলে মানাবে না বলেই আজ জামদানি শাড়ী পরা। যতটুকু সম্ভব হালকা সাজ দিয়ে বের হন রুম থেকে। করিম সাহেব অফিসে চলে গেছেন ততক্ষনে।

টেবিল এ নাস্তা সাজানো থাকে। হালকা নাস্তা করে নেন তিনি। জরিনা কে কাজ বুঝিয়ে দেন।
তারপর ঘরের মেইন দরজায় বাইরে থেকে তালা মেরে তিনি বের হন গৃহ পরিচারিকা দের অধিকার নিয়ে আয়োজিত সেমিনার এ।


______স্বপ্ন খোলা ইচ্ছা গুলো_______

M.A Mannan | ২৬ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:৩৮ পুর্বাহ্ন

স্বপ্ন খোলা ইচ্ছা গুলো
নীল আকাশের তেপান্তরে।
স্বপ্ন খোলা ইচ্ছা গুলো
সাত-সমুদ্র আর মেঘের কোলে।
স্বপ্ন খোলা ইচ্ছা গুলো
রং ধুনুর সাত রং এ।
_________স্বপ্ন খোলা যা ইচ্চা তাই
_________প্রজাপতির ডানায় ঘুরে বেড়াই।
_________স্বপ্ন খোলা যা ইচ্চা তাই
_________মেঘের ডানায় উড়ে যাওয়া।
_________স্বপ্ন খোলা যা ইচ্চা তাই
_________চাদেঁর বুড়ির চরকা কাটা।
স্বপ্ন খোলা যা ইচ্চা তাই।
স্বপ্ন খোলা ইচ্ছা গুলো।
************


কাটা ঠোঁট ও মৃত পাপিয়ার গল্প

Faisal Khaled | ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:১২ পুর্বাহ্ন

সামিহ আল-কাসিমের কবিতা

মূল : সামি আল-কাসেম
অনুবাদ : ফয়সাল বিন খালেদ

সামি আল-কাসিম : ভিটেহীন এক ফিলিস্তিনী কবি, ইসরাইলের কোরবানী উৎসবের এক হার না-মানা ‘পশু’। সামি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৩৯ সালে। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে তার এলাকা ইসরাইলের সীমায় পড়ে। সেই থেকে সামি ভিটে ও পরিচয়হীন। ১৯৪৮ সালে সামির মাত্র ৮ বছর। কিন্তু ১৯৪৮ কে তিনি কোনো দিন ভুলতে পারবেন না। ১৯৭০ সালে এক সাক্ষাৎকারে ১৯৪৮ সালের স্মৃতি স্মরণ করে সামি বলেছিলেন : ‘তখন আমি সবে মাত্র স্কুলে ঢুকেছি। ১৯৪৮ সাল ফিলিস্তিনীদের ভাগ্যবিপর্যয়ের কাল। এই তারিখটাকে আমি সবসময় আমার জন্ম তারিখ বলে মনে করেছি। কারণ পিছনে ফিরে তাকালে আমার চোখে সর্ব প্রথম যে ছবিটা ভেসে ওঠে তা ১৯৪৮ সালের রক্তাক্ত পটভূমি। ১৯৪৮ আমার জন্ম-স্মৃতি, আমার যাবতীয় চিন্তা, কল্পনা ও চিত্রকল্পের মূল পটভূমি।

রাজনৈতিক সক্রিয়তার জন্য সামিকে অনেকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি ইসরাইল ছেড়ে যান নি। ১৯৮৩ সালে ‘ইনডেক্স’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামি তার ইসরাইল না ছাড়ার কারণ ব্যখ্যা করে বলেছেন : ‘ব্রুটাস তার বন্ধু সিজারের বিরুদ্ধে কেন গেলেন, সেটা জানতে চাইলে ব্রুটাস বলেছিলেন : “আমার বন্ধুরা যদি জানতে চায় কেন আমি সিজারের বিরুদ্ধে গেলাম তাহলে আমি বলব, আমি সিজারকে ভালবাসি না__ ব্যাপারটা এমন নয়। আমি সিজারের বিরুদ্ধে গিয়েছি কারণ রোমকে আমি বন্ধু সিজারের চেয়েও অনেক বেশি ভালবাসি।

আমি আমার মাতৃভূমিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার কারণ আমি আমার মাতৃভূমিকে নিজের চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসি’

তিনটি ভ্রমণ টিকেট

একদিন তো আমি নিহত হব
আততায়ী আমার পকেটে পাবে
তিনটি ভ্রমণ টিকেট :
একটি শান্তিতে যাওয়ার
একটি শস্যক্ষেত ও বৃষ্টিতে
একটি
মানুষের বিবেকে
(টিকেটগুলো ফেলে দিও না
প্রিয় খুনী আমার !
একদিন ঘুরে এস আমার অদেখা সেই দেশগুলো)

যুদ্ধের সন্তান

বাসর রাতে
ওরা তাকে জোর করে যুদ্ধে নিয়ে গেল

তারপর কেটে গেছে পাঁচটি দুর্ভিক্ষ মৌসুম

একদিন সে ফিরে এল লাল ক্রাচে ভর করে
বন্দরে তাকে নিতে এল
তার তিন সন্তান

কাটা ঠোঁট

ইচ্ছে ছিল তোমাদের শোনাব
একটি মৃত পাপিয়ার গল্প
আমার ইচ্ছে ছিল তোমাদের
একটি গল্প শোনাব..

কিন্তু ওরা আমার ঠোঁট কেটে নিল


______ধসুর মেঘে_________

M.A Mannan | ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:১১ পুর্বাহ্ন

তুমি শু্ধু আলো আর আধারের মত,
এই আছো, এই নাই।
আলোর রশ্মি নিভে গেলেই,
নেমে আসে আধাঁর-জোনাকির আলো আর খানিক জোছনা,
তোমাকেই খুজেঁ খুজেঁ স্বপ্ন বুনে।
তুমি শুধু আকাশে চাঁদের মতন
স্বপ্নীল জোছনা, হারিয়ে যাওয়ার প্রহর গুনো।
নীল আকাশের নীলন্মবরিতে আর ধসুর মেঘে হারিয়ে
যাওয়া তোমাকে,সন্ধ্যা তারা খুজেঁ ফেরে।
_______সকালের শালিক জুটি, তোমাকে খুজেঁ !
_______শিশির ভেজা সবুজ ঘাস, তোমাকে খুজেঁ !
_______গাংচিল প্রতি মহুর্তে, তোমাকে খুজেঁ !
_______প্রজাপতি গায়ে রং ছড়িয়ে, তোমাকে খুজেঁ !
_______বাহারি কাটঠকড়া গাছের গায়ে কাঠ ঠুকরে,
তোমাকে খুজেঁ !
_______তোমাকে খুজেঁ, আর খুজেঁ,আলো আধাঁরে-
_______মিশে একাকার,সে তো তোমারই জন্য।
********************


_________কল্পকথা যেই ভাবা_________

M.A Mannan | ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:১১ পুর্বাহ্ন

কল্পকথা যেই ভাবা
রাজা-রাণীর রাজ্য শাসন।
কল্পকথা যেই ভাবা
রাজ কুমারের ঘোড়ায় চরা।
কল্পকথা যেই ভাবা
রাজ কুমারী হারিয়ে যাওয়া।
কল্পকথা যেই ভাবা
যুযু বুড়ির ভয় পাওয়া।
কল্পকথা যেই ভাবা
রাঙ্খুসদের চাতুরতা।
কল্পকথা যেই ভাবা
জাদুকরের হাতের খেলা।
কল্পকথা যেই ভাবা
রাজ কুমারী ফিরে আসা।
***************