bdnews24.com banglablog

বিবিধ

আমরা কোথায় আছি!!!

বাহারুল ইসলাম | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৬ অপরাহ্ন

বিগত ৩ মাসে বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঝড়। এই ঝড়কে মোকাবেলা করার সামর্থ কি সরকারের নাই নাকি সরকারের মোকাবেলা করার স্বদ ইচ্ছা নাই। বাংলাদেশের সাধারন জনগন এই দুইটার একটা উত্তর বেছে নেবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারন জনগনের চিন্তা চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে তা আমি নিজেই বুজতে পারচি না। গত বুধবার (০৮/০৪/২০০৯) নাগাদ যেখানে সবার চিন্তা ছিলো পিলখানার হত্যাকান্ড, বসুন্ধরা সিটির অগ্নিকান্ড, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ত্রলীগের সংঘর্ষ, যুদ্ধ-অপরাধ ইস্যু ইত্যাদি কিন্তু এখন মানুষের চিন্তা- চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন তারা চিন্তা করছে খালেদা জিয়া কি শেষ পর্যন্ত তার সেনানিবাসের বাড়ী ছাড়ছে নাকি ছাড়ছে না। আপনারা এখন একটু চিন্তা করে দেখুনতো আমাদের এখন মনে কোন ঘটনার উত্তর চাচ্ছে?

দেশ এখন কোন দিকে যাচ্ছ আমি নিজেই বুজতে পারছি না। পিলখানার ঘটনা হয়েছে প্রায় ৪৫ দিন আগে আজ পর্যন্ত তার তদন্তই শেষ হলো না। আরও ৩০ কার্য দিবস বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে তদন্ত কাজ। তার মানে আরো ৪৫ দিন। এদিকে বসুন্ধরার অগ্নিকান্ডের ঘটনাতো আমরা ভুলেই গেছি। সরকার কি তাহলে জনগনের চিন্তা অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে চাচ্ছেন নাকি তারা দেশ পরিচালনা করতে হিমসিম খাচ্ছে। কোনটা সঠিক? তবে এটা বলা যায় বিগত ৩ মাসে বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি দারুন ভাবে খুন্ন হয়েছে। আমি মনে করি সরকার সকল মনযোগ জংগিবাদের দিকে দিতে গিয়ে এখন গোলক ধাধার ভিতর পড়ে গেছে।

খলেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ী ইস্যু নিয়ে বিএনপি কি আন্দলনের দিকে যাবে? আর সরকার কি যে কোন মুল্যে তা প্রটেক্ট করবে? তবে দেশ কি একটা অস্থিতিশীল পরিবেশের দিকে যাচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!


Hi! I m New in the blog.

ismail azad | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৫ অপরাহ্ন

Hi everybody! i m a new user of blog. i cant write in bangla in the blog. can any body help me to write bangla in the blog.


গণ পিটুনি: আইন যা বলে

Zahirul Islam Musa | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৪ অপরাহ্ন

চোর-ডাকাত, পকেটমার কিংবা ছিনতাইকারী হাতেনাতে ধরা পড়েছে অথচ পুলিশের হাতে দেয়ার আগে তাকে পিটুনি বা গণপিটুনি দেয়া হয়নি এরকম ঘটনা খুব কমই ঘটে থাকে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর এ ধরনের অপরাধীকে গণপিটুনি দেয়াটা মোটামুটি বিধানে পরিণত হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত আইন ভঙ্গকারী এদেশের জনগোষ্ঠী এ বিধান পালনে যথেষ্ট তৎপর। অন্তত বাস্তব অবস্থাদৃষ্টে এবং পত্রিকার খবর অনুযায়ী এমনটিই মনে হয়। কেননা ‘গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু’ কিংবা ‘গণপিটুনিতে ছিনতাইকারীর জীবনাবসান’ এ ধরনের শিরোনাম দেখে আমরা এখন আর আঁতকে ওঠি না। অনেক অদ্ভুত বাস্তবতার দেশে এটা এখন নির্মম বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আপনার যেমন অধিকার ভোগ করার আইনানুগ বিধান আছে, তেমনি রাষ্ট্রের যে কোনো নাগরিকেরই এ অধিকার ভোগ করা আইনসম্মত। বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয়ভাগে রাষ্ট্রের নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ৩১, ৩৩ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় লাভ, আইন অনুযায়ী ব্যবহার লাভ, বিচার লাভ, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ লাভ, অপরাধী-নিরপরাধী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
যদিও বাংলাদেশের প্রচলিত পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনিহা থেকেই গণপিটুনির মতো অবৈধ এবং আইন বিরোধী কাজটি করা হয় বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু নিজের হাতে আইন তুলে নেয়ার মতো অপরাধ আইন দ্বারা তো নিষিদ্ধই বরং বিবেক দ্বারাও অসমর্থিত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা অনুযায়ী, চোর ধরা পড়লে তাকে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। আর এর ব্যতিক্রম করলে দন্ডবিধি ১৮৭ ধারা অনুযায়ী আপনাকে অনূর্ধ্ব ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে।
অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের আইনগত দায়িত্ব। আর এ দায়িত্বে বাধা দেয়ার মতো কোনো অধিকার আপনার নেই। বরং চোর, ডাকাত, ছিনাতইকারী কিংবা পকেটামারকে আপনি যদি আটকে রাখেন এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তবে আপনাকে দ-বিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০ টাকা জরিমানা বা উভয়বিধ দ-ে দ-িত হতে পারেন।
আটক রাখার পর যদি আপনি সখের বশে কিংবা নিজের শক্তিকে জাহির করার জন্য অথবা আকস্মিক উত্তেজনা বশত হয়ে অপরাধীকে পিটুনি বা ধোলাই দেন তবে কারাদ-ের আগে মেয়াদ বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে অনূর্ধ্ব তিন বছর এক মাসে। সঙ্গে অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা তো থাকছেই।
৩৩৪ ধারা দ-বিধি পিটুনি বা ধোলাই দিতে গিয়ে যদি গুরুতর আঘাত দিয়ে ফেলেন তবে আগের কারাদ- মেয়াদের সঙ্গে যোগ হবে আরো এক বছর। আর অর্থদ- হবে অনূর্ধ্ব ২ হাজার টাকা। অবশ্য এ ক্ষেত্রেও কারাদ- ও অর্থদ- উভয় দ-েও দ-িত হতে পারেন। (দ-বিধি, ৩৩৫ ধারা)
যে অপরাধীর ওপর আপনি নিজের ক্ষোভ মেটাচ্ছেন বা ধোলাই দিচ্ছেন তাকে আঘাতদানের সময় মেরে ফেলবেন এমন কোনো চিন্তাভাবনা বা আশঙ্কা আপনার মনে কাজ করেনি কিন্তু আকস্মিক উত্তেজনার একপর্যায়ে পিটুনির ফলে অপরাধীর মৃত্যু ঘটলো, সেক্ষেত্রে দ-বিধির ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী আপনার দশ বছর কারাদ- বা জরিমানা বা উভয়বিধ শাস্তি হবে। আর যদি অপরাধীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মেরে ফেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয় তবে এ মেরে ফেলার কাজটি হবে ঈঁষঢ়ধনষব যড়সরপরফব যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদ- বা অনূর্ধ্ব দশ বছর মেয়াদের যে কোনো কারাদ-। তার সঙ্গে যে কোনো পরিমাণ জরিমানা তো থাকছেই। (৩০৪ ধারা দ-বিধি, প্রথম অংশ)
গণপিটুনিতে যদি অপরাধীর মৃত্যু ঘটে তবে তার দায় বর্তাবে অপরাধ সংঘটনকারী সব ব্যক্তির ওপর। কেননা আইনে ঔড়রহঃ ষরধনরষরঃু বা যৌথ দায়িত্বশীলতা বলে একটি নীতি আছে। সেখানে বলা হয়েছে, একই অভিপ্রায় নিয়ে একাধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটন করলে, তাহলে প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি নিজেই অপরাধটি করেছেন। তাই গণপিটুনিতে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে, সবাইকে সমভাবে এজন্য দায়ী করা যাবে। [৩৪ ধারা দ-বিধি]
আশ্চর্যের বিষয় হলেও সত্যি যে, গণপিটুনিতে অংশ নেয়ার অপরাধে বাংলাদেশে কারো সাজা হয়েছে বলে কোনো রেকর্ড নেই। অথচ এ জাতীয় অপরাধের অসংখ্য খবর আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাই। অনেকে বলেন, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় অপরাধী সাজা পায় না বলেই এ আয়োজন। কিন্তু অপরাধীকে সাজা দিতে গিয়ে নিজে আরেকটি দ-নীয় অপরাধ করে ফেলা কোন যুক্তিতে মেনে নেয়া যায়? রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং আস্থা রাখা আপনার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পুরোপুরি পালন না করে বরং আরেকটি অপরাধ করার মতো আইনগত বা নৈতিক ভিত্তি আপনার নেই। প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে আপনি নিজে নতুন পদ্ধতিতে বিচার প্রক্রিয়া বা আইন হাতে তুলে নেয়ার কাজটি করতে পারেন না। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অযথা নতুন অপরাধের জন্ম দিয়ে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থাকে আপনি বিতর্কিত করে তুলতে পারেন না। বরং বিচার পদ্ধতির সংস্কার বা সংশোধন কিংবা আইনের পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করাটাই একজন সুনাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব।


দুদক কি মহীউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার ?

শামছুল আলম মেহেদী | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৪ অপরাহ্ন

হাসান মশহুদকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছিল কিন্তু তিনি ওই ডাকে যাননি। এরপর হাসান মশহুদ দুদক থেকে পদত্যাগ করেন। এখন আবার দুদকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছে।তিনিও ওই ডাকে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। দুদকের মতে,স্থায়ী কমিটি তাদেরকে তলব করতে পারে না। দুদক শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি।
এখন প্রশ্ন হলো, যে স্থায়ী কমিটি দুদককে তলব করেছে, ওই কমিটির প্রধান হলেন দুদকের মামলায় আসামী, যিনি দুদকের মামলায় জেলও খেটেছেন। যার নাম মহিউদ্দিন খান আলমগীর।

বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে টিআইবির চেয়ারম্যানসহ অনেকে মন্তব্য করেছেন,দুদক এখন মহিউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।


নেই কাজ….খই ভাজ…..

sharaat | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭ পুর্বাহ্ন

আজ তেমন কোনো খবর নাই, তাই বিরক্তিকর সময় কাটাতে এই লেখা। আবার লিখতে দেখলেও ঝামেলা……..


বাহালুল কবীর

Bahalul Kabir | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭ পুর্বাহ্ন

This is a sample message
আমার নাম বাহালুল কবীর


Happy to be a member of bangla blog ………

Md.Mizanur Rahman | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭ পুর্বাহ্ন

i am a new member of bangla blog . i will try myself to write in this blog every day .thank you.


আমি নতুন এলাম আমাকে গ্রহন করবেন কি ?

a.salam | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৫ পুর্বাহ্ন

আমি লিখতে চাই আমকে সুজুগ দেয়ার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ


খনার অবচন।

shibluhoque | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৪ পুর্বাহ্ন

এক।
মরবো বাপু, তবু বাচবোনা।

দুই।


আর কতদিন এভাবে চলবে? এ খেকে মুক্তির কি কোন উপায় নেই?

kauser | ১৭ মার্চ ২০০৯ ১১:৩২ পুর্বাহ্ন

গতরাতে সূর্যসেন হলে আমাদের পত্রিকার জন্য কাজ করছিলাম। এর মধ্যে রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ একটা ফোন আসল। ‍‌তোমাদের হলে নাকি ব্যাপক মারামারি হচ্ছে? পুলিশে রেড দিচ্ছে নাকি?”
আমি বললাম আমি তো হলের বাইরে আপনাকে জানাচ্ছি। এর মধ্যে খবর নিয়ে জানতে পারলাম যে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে আবারো মারামারি করেছে। জিয়া হলে এই প্রথম নয়। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগ যে দলই হলে থাকুক না কেন জিয়া হলে মারামারি হবে না বা হয়নি এরকম টা কেউ বলেত পারবে বলে আমার মনে হয় না। আমি বুঝিনা দেশের নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল বাংলাদশের কথা বলে, তারুণ্যনির্ভর সমাজের কথা বলে আওয়ামী লীগের মহাজোট ক্ষমতায়ং আসার পর খেকে এসব কি দেখছি আমরা। নিজেদের গোত্রে গোত্রে মারামারি। ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে সংঘাত। এর নাম কি ডিজিটাল তারুণ্য।

আমি এই নির্বাচনের প্রথম ভোটটি দিয়েছি। এবং সেটি নৌকায় দিয়েছি। দেখেছি যে নির্বাচনের দিন বিকেল থেকে ছাত্রদলের ছেলেরা হল ছেড়ে হাকিম চত্ত্বরের দিকে ব্যাগ ব্যাগেজ নিয়ে যাচ্ছে। এবং সর্বশেষ রাত ১০ টার দিকে তারা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায়। আমি এ কথাগুলো এই কারণে বললাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগহকে তো কোন হল দখল করতে হয়নি। সবকয়টি হলই তারা পেয়েছে । নিজেদের মত নিজেরা সাজিয়ে নিয়েছে কেউ কেউ। তারপরও কেন এই হতাহতর ঘটনা কেনই বা হলের অভ্যন্তরে পুলিশের পেটোয়া বাহিনী নিয়ে আনার দরকার। কেনই বা দুই একদিন পরপরই ক্ষমতার মহড়া চলে ক্যাম্পাসে। বরিশাল গ্রুপ না ফরিদপুর গ্রুপ কার কতটুতকু নিয়ন্ত্রণ এটা বোঝাতে? এরা কোন গঠনমূলক কাজে নেই আছে শুধূ ধ্বংসাত্মক কাজে। কিভাবে ভাংচুর বরা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে ওঠানোর প্রথম শর্ত থাকে কে কতটুকু ক্রেজি। কে কত বেশি মারামারি করতে পারে। তার ভিত্তিতে তাকে পলিটিকাল বড়ভাইরা রুমে তোলে। এই রুমের আবার নানা রকম শ্রেণীবিভাগ আছে। একেকজনের পারফমেন্সের উপর তার রুমপ্রাপ্তি ডিপেন্ড করে। খুবই অদ্ভূত লাগে। মাঝে মাঝে নিজেদের উপর ঘৃণাও হয়।

শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয় জাহাঙ্গীরনগন, চট্গ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের সকল কবশ্ব্বদ্যালয়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। এই অস্থিরতা কেন হচ্ছে? কারা এই গুলো থেকে ফায়দা লুটছে এটা সবারই জানা। তবে এইসব অস্থিরতা বন্ধ হোক শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করুক আমরা এটা চাই। খাতা কলমের বদলে বন্ধুদের হাতে রড, চাপাতি দেখতে কার ভাল লাগে? আমরা এই অপসংস্কৃতি থেকে মুক্তি চাই। এভাবে চলার দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না।

আমাদের শুধু এটুকু চিনন্তা করলেই যথেষ্ট গতরাতে জিয়া হলে যে ছেলেটি মার খাচ্ছে সেও ঢাবির শিক্ষার্থী আমার সহপাঠী বা বন্ধু। যে মারামারি করছে সেও আমার সহপাঠি বা হলের বন্ধু। এর চেয়ে বড় কষ্টের আর কী হতে পারে। আমরা এই বিশৃঙ্খলার সমাপ্তি কামনা করি।

http://www.somewhereinblog.net/blog/orkasifshawon/28925216