bdnews24.com banglablog

টিপাইমুখ বিতর্ক

bdnews24.com | ২৫ জুন ২০০৯ ২:৪৫ অপরাহ্ন

ভারত তার মনিপুর রাজ্যের টিপাইমুখে বরাক নদীতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, এ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের পরিবেশ ও কৃষি বড় রকমের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ভারতের অভিযোগ, এক পক্ষের রাজনীতিক জনমনে বিদ্বেষ ছড়াতে গৎবাঁধা ভারতবিরোধিতায় ধূয়া দিচ্ছেন, আবার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ সরকার বলেছে, ওই এলাকায় একটি সংসদীয় দল যাবে এবং তারপর এ বিষয়ে পরামর্শ দেবে। ভারতের মনিপুরের স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশেষজ্ঞদেরও কেউ কেউ এ বাঁধের বিরোধিতা করছেন।

এ ব্লগে টিপাইমুখ ইস্যু নিয়ে আপনার বক্তব্য ও মন্তব্য তুলে ধরুন। কিছু নির্বাচিত লেখা আমাদের মূলপাতায় প্রকাশিত হবে।


১৬ টি মন্তব্য আছে “টিপাইমুখ বিতর্ক” - এ;


২৫ জুন ২০০৯ - ৯:২৮ অপরাহ্ন

I think indiia should more responsible about his neighbor . India should not make any dam .

  • মন্তব্য করেছেন ashishroy
tapushikder

২৭ জুন ২০০৯ - ৫:৩২ অপরাহ্ন

এই বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ আলোচনা এখনই শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেতে হবে। ইতোমধ্যেই আমরা ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।

shovon

২৮ জুন ২০০৯ - ৮:৩২ পুর্বাহ্ন

আমাদের সবচেয়ে দুর্ভাগ্য, জাতীয় বড় দুটি রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ জাতীয় স্বার্থে এক হতে না পারা। একে প্রতি অপরের অবিশ্বাসের মাত্রা এত বেশি যে কো নো দল কোনো কিছুর পক্ষে বললে অপর দলের বিপক্ষে বলাটাই যেন নিয়ম ।

টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারী ও বিরোধী দলের ভিন্ন মত ও অস্পষ্ট অবস্থান আমাদের দেশের ভবিষ্যতকে অস্পষ্ট করে তোলে। আমাদের কিছু জনপ্রতিনিধি ও মাননীয় মন্ত্রীদের অদূরদর্শী বক্তব্য আমাদের দিধাগ্রস্থ করে তোলে। আমাদের হতবাক করে যখন মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিপু মনির সামনে ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন বললেন, আমাদের আর্ন্তজাতিক নদী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ নাকি so called expertise. তার শিষ্টাচার বহির্ভূত এমন অনেক কথাবার্তা মাননীয় মন্ত্রী নির্বিকার ভাবে শুনেছেন। আমাদের অভ্যন্তরীন বিষয় এবং দেশের সন্তানদের ভিনদেশী কূটনৈতিক so called expertise বলে অপমান করার পরও তিনি তার নিজের জায়গায় বহাল তবিয়তে আছেন। এটা কি তাহলে আমাদের so called রাজনীতির ফসল।

আমাদের বর্তমান সরকার বিশাল জনগোষ্ঠির ভোটে নির্বাচিত। তাদের এই বিশাল বিজয় অনেক ভালো কাজ সহজেই করতে সমর্থ হবে। বিশাল জনগোষ্ঠী এবং বিরোধী দলকে সাথে নিয়ে কেন তারা ভারতের কাছে টিপাইমুখ বাধের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানাতে পারে না। ভারত যে অভিন্ন নদীর উপর দিয়ে আর্ন্তজাতিক আইন অনুয়ায়ী একচেটিয়া কোনো সিদ্ধান্ত বা কোনো প্রকল্প নিতে পারে না তা তাদের মনে করিয়ে দেওয়া উচিত। দরকার হলে ত্রিপক্ষীয় বিশেষজ্ঞ কমিটি (বাংলাদেশ, ভারত এবং আর্ন্তজাতিক বিশেষজ্ঞ) গঠনের মাধ্যমে টিপাই মুখের প্রকল্পের লাভক্ষতি নিরূপণ করা যেতে পারে।

অতীত থেকে যদি আমরা শিক্ষা না নিতে পারি তাহলে ফারাক্কার মতো আরেকটি বিশাল ক্ষতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। উত্তরাঞ্চলে পানির অভাবে নদীগুলো শুকিয়ে গেছে, পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। ব্যাপক ফসলহানী হচ্ছে, কৃষক ও জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে, জীববৈচিত্র এবং আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, বিশাল অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। যা বর্তমানে মঙ্গা অঞ্চল নামে পরিচিত হচ্ছে।

এখন টিপাইমুখ বাধ নিয়ে যদি আমরা নিজেরাই কাদা ছোড়াছুড়ি করি তাহলে বৃহত্তর সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর আশেপাশের বিশাল অঞ্চল বাংলাদেশের আরেকটি মঙ্গা অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।

আমরা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক চাই। প্রতিবেশী বাংলাদেশের মান ুষের ক্ষতি করে এমন কিছু করা ভারতের উচিৎ নয় যা আমাদের নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভারত বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের কোনো দল দেশের মানুষের কাছে বিশ্বাস হারিয়ে অন্য কোনো দেশের লেজুরবৃত্তি করে ক্ষমতায় আসুক তা চাই না। যাতে না আমাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের কূটনৈতি দের আপত্তিকর কথাবার্তা শোনার পরও আমাদের র্নিবিকার থাকতে হয়। যা আমাদের জাতির জন্য লজ্জার।

গণতন্ত্রেমতোবিরোধ থাকা স্বাভাবিক। দেশের কল্যাণে এই মত-বিরোধ যত কম থাকবে ততই আমাদের জন্য মঙ্গল। টিপাইমুখ বাধ নিয়ে আমরা আলাদা আলাদা কোনো দল হিসেবে কাজ করতে চাই না। একটি দেশ হিসেবে চিন্তাভাবনা করে একসাথে কাজ করতে চাই।

শোভন
ছাত্র

  • মন্তব্য করেছেন shovon

২৮ জুন ২০০৯ - ৯:৩৪ পুর্বাহ্ন

দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারকে অনেক ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাড়াহুড়া করে প্রস্তাবে রাজি হলে পরবর্তীতে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা সহ্য করা দুরূহ হবে।

  • মন্তব্য করেছেন milton
সব্যসাচী

৩০ জুন ২০০৯ - ১০:৩১ পুর্বাহ্ন

সব বিভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃঢ় প্রতিবাদ করা প্রয়োজন । সরকার আশা করি এ ব্যাপারে সচেষ্ট হবে ।

  • মন্তব্য করেছেন সব্যসাচী
সব্যসাচী

৩০ জুন ২০০৯ - ১০:৩১ পুর্বাহ্ন

সব বিভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃঢ় প্রতিবাদ করা প্রয়োজন । সরকার আশা করি এ ব্যাপারে সচেষ্ট হবে ।

  • মন্তব্য করেছেন সব্যসাচী

৩০ জুন ২০০৯ - ৪:৩০ অপরাহ্ন

দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছে নাকি কেউ এটা নিয়া রাজনীতি করছে সেটা দেখে আমাদের লাভ নাই। আমার পরামর্শ হচ্ছে দ্রুত সেখানে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হোক। ঐ সব মন্ত্রী এমপিদের নিয়া কমিটি দিয়া লাভ নাই। ওনারা কি বোঝে?
যে দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রী ইন্ডিয়ার পানিসম্পদ মন্ত্রীর মতো কথা বলে, যেদেশের মন্ত্রীরা বলে আমি এ বিষয়ে কিছু জানিই না, সেসব মূর্খমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত দল পাঠিয়ে টাকা নষ্ট করার কি দরকার আছে? তার চেয়ে বরং ঐটাকা দিয়া নাস্তা করাটা অনেক ভালো হবে।

  • মন্তব্য করেছেন muntaka

৩০ জুন ২০০৯ - ৬:১৬ অপরাহ্ন

“Tipaimukh ‘Debate’ - hah!!!” is it a matter of ‘Debate’ or something of existence? Does this luxurious term ‘Debate’ goes to this issue?? Please change the attitude. Change the name of the topic. Why you are so sober in criticizing India’s all the activities against Bangaldesh? Surprising.

  • মন্তব্য করেছেন Ridwan

১ জুন ২০০৯ - ৮:৫৭ পুর্বাহ্ন

Muntaka র মন্তব্যটি যথার্থ মনে করছি।

  • মন্তব্য করেছেন samprotik
tanvir13

৯ জুন ২০০৯ - ১:০৮ পুর্বাহ্ন

আমিও একই মতামত করছি। একটি যথাযথ বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হোক। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে দুই দেশের সরকার বসতে পারে।

  • মন্তব্য করেছেন tanvir13

১৩ জুন ২০০৯ - ৩:৫৩ অপরাহ্ন

টিপাইমুখ ড্যাম-এর ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের অবিচক্ষণতা এবং ঢিলেমী বরাবরের মতই ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলছে। ভারতের সাথে “সুসম্পর্কের সাপেক্ষে” কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর খুবই প্রয়োজন এই সময়। যেভাবে বাংলাদেশ সরকার এই ব্যাপারটার রাজনীতিকরণ করছে, তাতে ভারতকে যে চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন সেটা আর হচ্ছেই না বরং আমাদের সম্পর্কে ভারতীয়দের মন্তব্যই সত্য প্রমাণিত হচ্ছে। তবে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এ ব্যাপারে মোটামুটি সন্তোষজনক ভূমিকা রাখছে।

প্রস্তাব: যথাযথ বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবাদী সংগঠন, আন্তর্জাতিক নদী কমিশন, পার্শ্ববর্তী দেশ ও দক্ষ কূটনীতিকদের নিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। বর্তমান তৎপরতা কোনোক্রমেই সঠিক পথে হচ্ছে না।

  • মন্তব্য করেছেন roktogonga

২৮ জুন ২০০৯ - ১:৪২ অপরাহ্ন

বি এন পি শেষমেষ সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারলো না। জাতীয় সমস্যা মোকাবেলায়ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরকার দ্বন্দ্ব আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটা বড় বাধা। তা আবারও প্রমাণিত হলো। প্রতিনিধিদল ফিরে এসে প্রতিবেদন দিলেই দেখা যাবে আসলে বাংলাদেশ সরকার কতখানি আন্তরিক। তবে ভারতের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত এখনও না পাওয়াটা শঙ্কিত করে তুলছে আমাদের।

  • মন্তব্য করেছেন Rabbani

১০ অগাষ্ট ২০০৯ - ৬:৪৫ অপরাহ্ন

আমার মনে হয় টিপাইমুখ নিয়ে বিএনপি নোংরা রাজনীতি করছে। তবে, টিপাইমূখ বাঁধ যাতে ভারত না দিতে পারে তার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক দল এক হতে হবে। সংসদীয় দলের সাথে সদস্য না দিয়ে বিএনপি দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়েছে। এটা আমার কাছে মনে হয় চালাকি। এটা বিএনপি না করলেও পারত। দেশকে ভালবাসলে দেশের মানুষ কি ভাবছে তা অনুধাবন করতে হয়। শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি না করাই উচিত। তাতে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ বলেছিল এক দিনের জন্য শান্তিতে থাকতে দেবে না। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি এক দিনের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেবে না কথায় না বলে করে দেখাচ্ছে। আমরা সাধারন মানুষ মনে করি সরকারকে আরও সময় দেওয়া উচিত। এবং সবাই মিলে চেষ্টা করা উচিত কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। ভারত বিদ্বেশী না হয়ে কিভাবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা যায়। কিভাবে বানিজ্য ঘাটতি কমানো যায়। কিভাবে অর্থণেতিক ফায়দা হাসিল করা যায়। যারা আজ বড় ভারত বিদ্বেশী, দেখা যাবে তাদের ছেলে মেয়েরাই ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে। কলকাতায় যাচ্ছে ঈদের বাজার করতে।
কাজেই বাস্তবতা মানতে হবে। বিশ্ব জনমত তৈরী করতে হবে। দেখাতে হবে ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক থাকা সত্বেও ভারত আমাদের ক্ষতি হয় এরকম প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কাজেই যে কাজ যুক্তি/বুদ্ধির মাধ্যমে করা সম্ভব তা কেন আমরা জোর করে করতে যাব। যেখানে ভারতের সাথে জোর করে কিছু করতে যাওয়া নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আন্তর্জাতিকভাবে জোর করে কি লাভ? আন্তর্জাতিক শক্তি ও বড়দের পিছনে ছোটদের পিছনে নয়। কাজেই নির্বৃদ্ধিতা না করে কিভাবে বুদ্ধিবৃত্তি ও কুটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায় তার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। নিম্ন মনোবৃত্তির রাজনীতি না করে জাতীর সংকটময় অপরকে দোষারোপ না করে সবাই মিলে কাজ করলে তার ফলাফল ভাল হবে। আর যদি এমন মনে করা হয় যে, আওয়ামী লীগ সফল হলে আর তো আমরা ক্ষমতায় যেতে পারবো না তাহলে দেশ কখনোও এগোতে পারবে না। এত লোক ভোট দিয়েছে কাজেই দেখাই যাক না কেন আর দুটি বছর।

  • মন্তব্য করেছেন bipplab

২০ অগাষ্ট ২০০৯ - ১০:৪৪ পুর্বাহ্ন

সরকারের উচিত বিষয়টি যথাযথ বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবাদী সংগঠন, আন্তর্জাতিক নদী কমিশন সহ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্লেষন করে সামনের দিকে এগোনো।

  • মন্তব্য করেছেন sohel06
sultan

৮ অক্টোবর ২০০৯ - ১:৫৭ পুর্বাহ্ন

বি এন পি শেষমেষ সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারলো না। জাতীয় সমস্যা মোকাবেলায়ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরকার দ্বন্দ্ব আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটা বড় বাধা। তা আবারও প্রমাণিত হলো। প্রতিনিধিদল ফিরে এসে প্রতিবেদন দিলেই দেখা যাবে আসলে বাংলাদেশ সরকার কতখানি আন্তরিক। তবে ভারতের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত এখনও না পাওয়াটা শঙ্কিত করে তুলছে আমাদের।
বি এন পি শেষমেষ সরকারের সজ্গে সমঝোতায় আসতে পারলো না। জাতীয় সমস্যা মোকাবেলায়ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরকার দ্বন্দ আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটা বড় বাধা। তা অবারও প্রমাণিত হলো। প্রতিনিধিদল ফিরে এসে প্রতিবেদন দিলেই দেখা যাবে আসলে বাংলাদেশ সরকার কদখানি আন্তরিক। তবে ভারতের পক্ষে থেকে প্রকল্পটি সম্পর্কে কোনো ইজ্গিত এখনও না পাওয়াটা শস্কিত করে তুলছে আমাদের।
বি এন পি শেষমেষ সরকারের সজ্গে সমঝোতায় আসতে পারলো না। জাতীয় সমস্যা মোকাবেলায়ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরকার দ্ব

  • মন্তব্য করেছেন sultan
sultan

১০ ডিসেম্বর ২০০৯ - ৫:৩৫ পুর্বাহ্ন

একতা মৎস্য আড়ৎ
প্রোপাইটার: মো: মজিবুর রহমান,
০১৭১১-২৪০৭৪৭, ০১৭১৮৫৬৫৭১৮
৩২৭/৪ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, বিশ্বরোড,
রুম নং- ২৫ (২য় তলা), যাত্রাবাড়ী, ঢাকা- ১২০৪.

  • মন্তব্য করেছেন sultan

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন