ঐতিহাসিক এক রায়ে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ডের হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো। আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
ঐতিহাসিক এক রায়ে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ডের হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো। আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
ধন্যবাদ সবাইকে, যারা ন্যায্য বিচারের জন্য সংগ্রাম করেছেন। সব জঘন্য হত্যাকান্ডের বিচার যেনো একইভাবে সম্পন্ন হয়—এই প্রত্যাশায়…..
জাতি আজ অভিশাপ থেকে মুক্ত হল।যেইদিন এই রায় কার্যকর হবে সেই দিনই ঘুচবে এই জাতির জন্মের লজ্জা।
It took too long to see this verdict. Happy, very happy. Sad because 6 of them are still free outside somewhere. Find them and execute the verdict as soon as possible. Mohammad Rabbani, Queensland Australia
We are happy. With this verdict the rule of law has been established and the nation has got relief as well.
This the victory of our nation against a long waited conspiracy to stop the justice. At last we get rid of such shame. Take rest in peace Father of the nation, we are still alive to fight those evils.
yes, i am proud for my nation. becouse today we are free scandal of 1975. and proud also my law and order. thanks for evrybody and godlak all bangladeshi nation.
we are also happy. i hop bangladeshi all pepol are also happy. al the best of bangladesh. bay…………
i am really proud today…………..i think its our another victory day…………..
bengali nation again proved they can do though it was too lately.
god give peace to their soul.
we are really proud………………
We are really happy but we will not get back our father of nation. This will relief our little pain what we are bearing for last 34 years.
I know it’s very much awaited result…. But what profit or what good thing we can gain… Can the politics give us success?… The Great Leader Bangabandhu died on conspiracy..but he will not return again…No one can be smae like him….Why today we are doing politics with his name???…. After today Bangladesh will progress ??? I don’t think so… Till today Bangabandu trial was a business for politicians…. Now that is finish… They will think of start another issue and do business… Hope our nation can realise this type of hypocracy…Ameen
We are very very happy. Really its a landmark verdict. Now we want to see the fastest execution of those culprits. We also waiting for the trial of war criminals. Hope it will execute soon.
একটি উৎকণ্ঠিত প্রতিক্ষার অবসান হলো। এসব আত্মস্বীকৃত খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হলেই কেবল জাতির পাপ মুক্ত হবে বলে আমি মনে করি। তবে পূণ্য করতে হলে আরো কিছু হত্যাযজ্ঞের বিচার জরুরি। দাবি জানাই চার জাতীয় নেতা, কর্নেল তাহের, এ এস এম কিবরিয়া, আহসান উল্যাহ মাস্টার হত্যাসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারের।
একইসঙ্গে এও মেনে নিতে হবে জাতি হিসেবে আমরা কতোটা দুর্বল, কতোটা নপংশুক! কেন এসব আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার করতে আমাদের ৩৪ বছর অপেক্ষা করতে হলো?
We are so happy.our nations wait for this day!
This is one of the best verdict in the history of Bangladesh. We as a nation atleast get relief now. We want the implementation of the verdict as soon as possible. Govt. should take initiative to bring back the killers who are in abroad. The people who are in abroad should also support govt. in this regard.
Ziaur Rahman and Ershad and Khaleda Zia has established and save the killers of Bangabondhu for many years. They also need to come under investigation and verdict for these ill activities.
১৫ আগষ্ট ১৯৭৫, স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে স্বপরিবারে নিহত হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নিলো বাংলাদেশের জাতির পিতাকে। দৈহিক ভাবে শেখ মুজিবুরের জীবনাবশান হলেও তিনি বেঁচে আছেন কোটি মানুষের হৃদয়ে। শেখ মুজিব তার কর্মেই গুনেই অনাগত ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এক কীংবদন্তী হয়ে থাকবে। মুজিবের মৃত্যু নেই। যে আদর্শের নাম “শেখ মুজিব” তা বাংলার কোটি কোটি মানুষ তাদের অন্তরে লালন করে।
দূর্ভাগ্য এই জাতির যে, যেই মুজিব তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলো এই দেশটির জন্য, সেই দেশের কতিপয় অমানুষ তাঁকে হত্যা করে ক্ষান্ত দেয়নি, দিনের পর দিন প্রপাগান্ডা চালিয়ে তাঁকে হেয় করতেও চেয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশ একটি কলঙ্কের নাম। তারা বাংলাদেশি দেখলে বলে তোমরাই তো সেই জাতি যে জাতি তাদের জাতির পিতাকে হত্যা করেছে। একের পর এক বিচারপতি এইদেশের জনগনের ট্যাক্সের পয়সায় লালিত পালিত হয়ে, তাদেরই প্রাণের মানুষটির হত্যার বিচার করতে বিব্রত হয়েছে । জাতি হিসেবে এই নেক্যারজনক ঘটনা আমাদের বিস্মিত-হতবাক করেছে, করেছে লজ্জিত।
রাতের অন্ধকারে বন্দুকের নলের মুখে যারা অবৈধভাবে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় বসেছিলো, তারাই আজ হুঙ্কার ছাড়ে আরেকটি ১৫ আগস্ট নাকি আসন্ন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম কৌসুলী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের উপর হামলা হয়েছে বিচারকে বাঁধাগ্রস্থ করার জন্য। নিন্দুকেরা বলে থাকে এটা তারই সাজানো নাটক নাকি! অথচ নিরপেক্ষ তদন্তে খুনিদের আত্মীয় ও দোসর সহ সামরিক বাহিনীর লোকেদেরও সংশিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। কূচক্রী মহল যারা বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চায়, যারা বার বার অবৈধ পন্থায় ক্ষমতার স্বাদ পেতে চায়, তারা তাদের অপতৎপরতা একের পর এক চালিয়ে যাচ্ছে। ঘোলাটে পরিবেশ সৃষ্টি করে বিচারকে বাঁধাগ্রস্থ করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে।
১৯ নভেম্বর ২০০৯, বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য এটি একটি মাহেন্দ্রক্ষন। এইদিনে জাতি তার ৩৪ বছরের কলঙ্ক মোচনের পথে যাত্রা শুরু করলো। রায় প্রদান করা হলো ইতিহাসের জঘন্যতম একটি গণহত্যার। এটি একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো যে, অপরাধের শাস্তি বাংলাদেশে হয়। ৫ খুনি জেলে রয়েছে, ৭ জন পলাতক। ৭ জনকে অবিলম্বে ফিরিয়ে আনা হোক। রিভিউ আপীল, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা ও রায় কার্যকরের মাঝে বেশি সময় ক্ষেপন না হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। কাল বিলম্ব না করে বাংলাদেশকে খুনী মুক্ত দেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হোক।
অথর্ব লোকেদের সমালোচনা হয় না। সরকার একই সাথে অনেক কাজ হাতে নিয়েছে যা আরও আগেই সম্পন্ন হবার কথা ছিলো। কাজ করলে সমালোচনা হবেই। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করার সাথে সাথেই শুরু করা হোক জাতিকে তার সবচেয়ে বড় কলঙ্ক থেকে মুক্তি দেবার প্রক্রিয়া। শুরু হোক যু্দ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া। ২০১০ সালের মাঝেই বাংলাদেশ মুক্ত হোক তার সকল দায় থেকে। শুরু হোক নতুন পথ চলা। এই পথ তৈরি করতে হবে আপনাকে, আমাকে , আমাদেরকে। দল, মত, পথ নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন, “বাংলাদেশের মাটিতে অপরাধীদের ঠাঁই নাই।”
আশা করি সেই পথ চলায় আপনাদের সকলকে সাথে পাব। যার যার অবস্থান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সরূপ যে কোন কুচক্রী ও তাদের দোসরদের সামাজিক ভাবে বয়কট করুন।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু,
জয় হোক মেহনতি মানুষের।।
We r very happy
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছিল কিন্তু আমি তখন জন্ম গ্রহন করেনি,আমার জন্ম আশির দশকে,তাই স্বাধীনতার লাভের মূহতুটুকু থেকে বঞ্ছিত হয়েছি।আর এক দিকে আমি নিজেকে অনেক ভাগ্যমান মনে করছি। কারন আমি ১৯৭৫ সাসলর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্দুর হত্যা দেখেনি।যে ব্যক্তি নিজের সূখ সুবিধার কথা বিবেচনা না করে দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেরে জীবন কে বিলিয়ে দিয়েছেন এবং পাকিস্তানী শাসকচক্র যেখানে তাকে হত্যা করতে শাহস পায়নি,সেখানে আমরা কতিপয় কুচক্রী বাংলাদেশী তাকে হত্যা করেছি।দীর্ঘ ৩৪ বছর পর তার হত্যা বিচার করতে পেরে ১৯ই নভেম্বর আমি স্বাধীনতার সূর্যটাকে দেখেছি।সারাক্ষন আমি বঙ্গবন্দুকে কল্পনার তুলি দিয়ে আকঁার চেষ্টা করিএবং অবশেষে তা লাভ করি ।পৃধিবীর আর কোন সূর্য সন্তানকে এভাবে মৃত্যু বরন করেত না হয় এই দোয়া করি।আমি এখন অপেক্ষায় আছি ঐ দিনটির যেদিন হত্যার রায় কার্যকর হবে।প্রত্যেক দেশের জাতীর জনককে যে ভাবে সন্মান প্রদর্শন করে তার নিজ জাতী,ঐরুপ সন্মান দেখানোর জন্য সবার কাছে জাতীবেদে আহবান করছি।
দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে জাতি যে অব্যক্ত অসহ্য যন্ত্রণায় গুমরে কেঁদেছে আজ সে যন্ত্রণা কিছুটা প্রশমিত হলো জাতি অনেকটা দায়মুক্ত হলো। অন্যায় অন্যায্য ভাবে অকালে বঙ্গবন্ধুকে হারানোর দুঃখ-যন্ত্রণা জাতি কোনো দিনই ভুলতে পারবে না। কিন্তু সান্তনা পাচ্ছি এই ভেবে যে, যে মানুষরূপী বর্বর পশুরা সে দিন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে জাতির কাছে নিজেদের ‘হিরো’ বলে জাহির করার চেষ্টা করেছিল, বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে কালিমা লেপনের চেষ্টা করেছিল, তারা আজকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে পরাজয় ঘটেছে সেইসব অপশক্তির, যারা সেদিন এই সব ঘৃণ্য খুনিদের মদদ যুগিয়েছে, তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছে, তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে তাদের। আজ সত্যের জয় হয়েছে, ন্যায়ের জয় হয়েছে আর কায়েমী স্বার্থবাদী অপশক্তি, দালাল-খুনিচক্রের চরম পরাজয় ঘটেছে। পাপ করে কেউ যে রেহাই পায় না তার জ্বলন্ত প্রমাণ আমরা পেয়েছি। যারা ষড়যন্ত্রকারী, যারা মদদদানকারী তারা কোনো না কোনো ভাবে এই পাপের শাস্তি পেয়েছে, আর যারা সরাসরিই এই জঘন্য পাপ করেছিল তাদের চুড়ান্ত পরিনতিও ঘোষণা করা হলো।
বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালীর সমস্ত অস্তিস্ত্বের সাথে জড়িয়ে আছে, তার নশ্বর সত্তাকে মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হলেও তার স্মৃতি, তার অলৌকিক সত্তার পরশ চিরদিনই প্রতি মূহুর্তে অনুভব করবে, মানুষ বুকে লালন করবে। এ কথা আজ প্রমাণিত সত্য যে, দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের বেশির ভাগ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে। মৃত্যুর ৩৪ বছর পরেও সকল প্রজন্মের কাছেই তিনি এখনও সমানভাবে জনপ্রিয়। বঙ্গবন্ধুর খুনিচক্র বা তাদের লালন কারীরা ক্ষমতায় থেকে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দেওয়ার জন্য এহেন হীন রাস্তা নেই যেটা তারা অবলম্বন করেনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্য-ন্যায়েরই জয় হয়েছে, বঙ্গবন্ধু নতুন করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু যে সময়ে বেঁচেছিল সে সময়ে আমি নিতান্তই শিশু। কাজেই সে সময়ে কি ঘটেছিল সেসম্পর্কে কোনো ধারণা আমার নেই। যখন আস্তে আস্তে বড় হয়েছি, বুঝতে শিখেছি, তখন জেনেছি, তখন বুঝেছি অন্য কথা। পাঠ্যবই থেকে পড়া-জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক, এমএজি ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস ইত্যাদি ইত্যাদি। শেখ মুজিবুর রহমান (বঙ্গবন্ধু শব্দটি ব্যবহার করা হতো না) ৬ দফা আন্দোলন বা ৬৯ এর গণ-আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতেন। রেডিও টিভিতে শেখ মুজিবের নাম কখনও উচ্চারণ করা হতো না, গ্রামের একটি প্রান্তিক কৃষক পরিবারে জন্ম বলে সংবাদপত্র বা বই কিনে পড়ার সামর্থ্য বা সুযোগও তেমন ছিল না। কাজেই পাঠ্যপুস্তক বা রেডিও-টিভির প্রচার প্রোপাগান্ডাই মগজ ধোলাই করে এক সময় বিশ্বাসের ভিত্তিটাকে সংশয়াকূল করে তোলে। জন্মসূত্রে হিন্দু বলে সমর্থন করি বা না করি রাজনৈতিক পরিচয়ও তাই জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগার হয়ে গিয়েছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই আওয়ামী লীগের প্রতি সহজাত দুর্বলতা এবং বঙ্গবন্ধুকে জানার অদম্য আগ্রহ সেই ছোটবেলা থেকেই দানা বেঁধেছিল। কিন্তু কোনো সূত্র থেকেই বঙ্গবন্ধুর সঠিক ইতিহাস কোথাও তুলে ধরা হয়নি। বাংলাদেশের দুর্বল চিত্তের সুবিধাবাদী তথাকথিত বুদ্ধিজীবি মহল যে যার স্বার্থগত অবস্থানে থেকে জাতির কাছে বঙ্গবন্ধুকে মূল্যায়ন করেছে, করে যাচ্ছে। যার কারণে আমাদের প্রজন্ম বা আমাদের পরবর্তি প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। যার কারণে সাকাচৌ গংদের মতো দুর্বৃত্তরা এখনও উদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করে যাচ্ছে। তবে এখন সময় এসেছে ঐ সব কুচক্রীদের সমূচিৎ জবাব দেওয়ার। তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে দেশে আজ দালাল, যুদ্ধাপরাধী, কুচক্রী, ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো স্থান নেই। যারাই বাংলার মাটির বিরুদ্ধে, বাংলার মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে তাদের বিচার একদিন হবেই।
এতো সব রাষ্টীয় মিডিয়ার অপপ্রচার শুনতে শুনতে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম সেদিনের আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করা মনে হয় ঠিকই ছিল! কিন্তু তাই বলে নির্মমভাবে একটা পরিবারের সকল সদস্যদের হত্যা করে! এটা কি ধরণের বিপ্লব? সেনাবাহিনীর গুটিকতক নিম্নপদস্থ উচ্ছৃঙ্খল সদস্য উচ্ছৃঙ্খলভাবে ব্যারাক থেকে বেড়িয়ে এসে দেশের প্রেসিডেন্টের বাড়ির দিকে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে গেল আর দেশের প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী আর তথাকথিত রক্ষীবাহিনী দাড়িয়ে দাড়িয়ে তামাশা দেখল! এটাই প্রমাণ করে কতবড় গভীর ষড়যন্ত্রের জাল সেদিন তৈরী করা হয়েছিল শুধুমাত্র একটা পরিবারকে ধ্বংস করার জন্যে। যদি রাষ্ট্রের ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য এই বিদ্রোহ হতো তাহলে ঘটনার পরপরই বঙ্গবন্ধুর তাবেদার খুনি মোশতাককে ক্ষমতায় বসানো হতো না। এটা ছিল তাদেরই কাজ যারা পাকিস্তান ভেঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে মেনে নিতে পারেনি।
আজকেও আমি একটা বিষয় বুঝতে পারি না সেদিন জাতির বিবেক কি করেছিল! কিছু নরপিশাচ নির্বিচারে নারী-শিশু-নিরীহ মানুষদের খুন করল, খুনিচক্রের হোতারা তাদের রক্ষার জন্যে তথাকথিত ‘ইনডেমনিটি’ অধ্যাদেশ পাশ করল আর দেশের বিবেকবান (!) মানুষেরা তা সুড়সুড় করে মেনে নিল! এরা আবার নিজেদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবী করে যারা সদ্যই একটি মহাপরাক্রমশালী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে!
কই মহাপরাক্রমশালী আইয়ুবশাহীকে উৎখাত করতে তো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পথ ধরতে হয়নি, অস্ত্র ধরতে হয়নি স্বাধিনতার আন্দোলন সংগঠনে? তাহলে এটা কোন ধরণের বিপ্লব?
হয়তো আর কিছু দিনের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের কবরটা স্থায়ীভাবে পাকা হবে। তবে বঙ্গবন্ধুর মাজারের সাথে তাদের কবরের পার্থক্য হবে, মানুষ বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা জানাবেন আর ঐ খুনিদের কবরে যাবে চরম ঘৃণায় থু থু দিতে ও জুতোর ঢিল দিতে। আর সেটাই হবে ফারুক-রশীদ গংদের চরম পাওয়া।
Completed of all political Agenda. So, we will not watch the bad political culture of this issues. If, we see the bad political culture of this issues so we will think that Awami Legue is not a good political party in Bangladesh.
রায়ের মধ্য দিয়ে অবসান হলো আতংকের। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের হত্যাকারীদের শাস্তি বহাল রেখে দীর্ঘদিনের কলংক মোচন হলো।
কোর্ট বলেছে এ হত্যাকাণ্ড একটি ষড়যন্ত্র, বিদ্রোহ নয়। সকল ষড়যন্ত্রের পেছনে কারও না কারও ইন্ধন আছে। সেই ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করাটাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুরই দল ক্ষমতায়। তাদের উচিত উল্টাপাল্টা মন্তব্য না করে তাদর খুঁজে বের করা।
তবে সে কাজটি কতটুকু হবে সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান। জাতির একটি কলংক মোচন তো হল, অন্ধকার অধ্যায়ের অনেকটা অবসান হয়েছে, কিন্তু পথ এখনো অনেক বাকি।
ডিজিটাল বাংলাদেশের (!) প্রত্যাশা দেয়া এ মহাজোট সরকার কতটুকু করতে পারে সেটাই দেখার বিষয়।
আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ারয়ে অবশ্যই আনন্দিত। সে আনন্দ তখনই পূর্ণতা পাবে যখন, তাঁর সহযোগী জাতীয় চারনেতা হত্যাকাণ্ড এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু ও সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে।
পুনশ্চ : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে হত্যাকারীদের ফাঁসি না দিতে…..। কিন্তু বাংলাদেশে যারা পজিটিভ চিন্তা করে তারা কেউই বোধহয় খুনিদের বাঁচিয়ে রাখার পক্ষে মত দেবে না।
বরং জঘন্য এ হত্যাকারীদের জঘন্যভাবে হত্যার পক্ষপাতী আমি ! তাদের প্রতি কোন ধরণের সহানুভূতি নয়, কারণ সহানুভুতি পাবার মতো কোন কাজ করেনি, তাই কোনরূপ সহানুভুতি পাবার অধিকারও তাদের নেই।
I’m very happy with the intact nation for Bongobondu killing verdict.
Now we are free nation from liability of 1975.
One more time I want to happy from my soul do the antiwar terror. I think they had involved with massacre that time.
Hider Iqbal.
Dhaka.
Yes, Now we can say proudly “We are Bangladeshi.”
M. A. Kashem Bipu
01730336708
কাজেই অন্যায় করে দুনিয়াতে তার মাসুল না গুণে কেউ যেন পার পাওয়ার আশা না করে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এ কারনে যে উনি এ অকাট্য সত্যটিকে আমাদের সামনে উদাহরণ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন। আর এ সত্যটিকে তিনি তাঁর জীবনে বহু ত্যাগ তীতিক্ষা ও এক দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য অহংকার।
বীর পুরুষেরা মরে একবার,
কা-পুরুষেরা মরে বার বার।
বঙ্গবন্ধু একবারই মরেছেন। কিন্তু তার খূনী সেই সব নর পিশাচরা বেঁচে থেকেও প্রতি মুহুর্তেই মরছে। মরণ তাদের প্রতি মুহুর্তে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। চুড়ান্ত পরিনতি পর্যন্ত তাদের এ থেকে রেহাই নাই।
I am happy butnot tomuch because I want result activitis. Our Govt should take Initiative to bringback the killers who are in abroad. I hope will Excute soon. Today highly Missing our Father of Nation Bangabandhu Sk. Majibur Rahman & His Family Members who died 15th august 1975. anyway God give peace to their soul. May long live sk. Hasina & Rahana.
জাতি আজ অভিশাপ থেকে মুক্ত হল।
Long waited best verdict. We are now proud that get justice for killing of our Nation’s Father and it will implement of the verdict as soon as possible. Govt. should take strong initiative to bring back the killers who are in abroad. We, who who live abroad should also support govt. in this regard.
Also those who established/rehabilitate killers before like Ziaur Rahman and Ershad and Khaleda Zia. they also bring under justice. What a shame Khaleda enjoying the birth day of Tarek, who blood is full of corruption, at that day. Its probed that Khaleda is friend and well wisher of those who killed our Father of the Nation.
Zahir
i think for every murder there should be a punishment no matter who the person is .. with this verdict we can realize that no one is above the law ..this verdict should have done soo long ago but we fail to do so .. but i think as a nation we can move on from that horrific act.
বাংলার প্রকৃত বিজয় আজ অর্জিত হল।
বাংলার প্রকৃত বিজয় আজ অর্জিত হল।
শুভ
ফরিদপুর।
বাংলার মাটিকে কলংক মুক্ত এবং পবিত্র করার জন্য সেসব কা-পুরুষদেরও বিচার হওয়া উচিত যারা বিচারে বাধা সৃষ্টি করেছিল এবং খুনীদের লালন করেছিল।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের আর ও আগে ফাঁসী হওয়ার উচিত্ ছিল। >palashdey57@yahoo.com
amader uchit shobai mila bongobondor bicharer ray druto karjokor korta shorker ke sohojugita kora.
বাঙালীরা অল্পে তুষ্ট জাতি…
কারণটা বলছি… অযথা রেগে যাবেননা… গালমন্দ করবেন না প্লিজ!
খেয়াল করে দেখুন… অপরাধ সবদেশেই আছে….
কিন্তু বিচার???
সবখানে নেই।
“অপরাধী যে-ই হোকনা কেন তার বিচার হবেই”- এ নীতি মেনে চললে আমরা কিন্তু আজ এমন মন্তব্যের সুযোগও পেতামনা।
হায় দুর্ভাগা জাতি…
সা.কা.চৌ. হয়তো ঠিকই বলেছেন, “যে দেশে কোন পিতার হত্যার বিচার পাওয়ার জন্য সন্তানকে প্রধানমন্ত্রী হতে হয়… সেদেশে আর যা-ই থাকুক আইনের শাসন আছে একথা বলা যাবে না”।
বিচার বিভাগকে সত্যিকার স্বাধীন হয়তো তখনই বলা যাবে… যখন সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার হবে। বেছে বেছে মামলার রায় নয়। [নাম নির্দেশপূর্বক মামলা/হত্যাকান্ডের কথা বললে আবার দলাদলির দিকে যাবে, তা-ই কোনো নাম নিলাম না] সরকার যে-ই থাকুক না কেন… অপরাধের বিচার চলবেই।
যানিনা ভেতরে কী আছে, তবে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতিকে [ইফতেখার] আমার শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছে করে… কি সাহসই না তিনি দেখিয়েছেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য! বিচারপতির গাড়িকে যথাযথ সম্মান না দেওয়ায় যদি কোনো বিচারপতি নিজেই বাদি হয়ে মামলা ঠুকে বিচার কাজ করতে পারেন… তবে তিনি কেন পুরনো মামলার নথি তালাশ করেন না!!!!!?????
আসুন… দেশকে সত্যিকার সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করি।
আমি
আপনি
সবাই মিলে
IT WAS A HISTORICAL NEED TO FIRE MUJIB. IT A SHAME THAT THE HEROS WHO MADE THIS COUNTRY FREE FROM A JALIM AUTOCRATIC GOVERNMENT NOW WE ARE GIVING THEM DEATH PENALY.
SHAME, SHAME, SHAME OF THE NATION.
PROBLEM IS THIS NEW GENERATION DOESN’T KNOW THE BRUTALITY OF MUJIB AND HIS ROKKHI BAHINI.
I AM DEEPLY SHOKED FOR THE HEROS OF AUGUST REVULATION.
WHO KILLED SIRAJ SIKDER??
WHO INTRODUCED THE POLITICS OF KILLING IN BANGLAESH??
OFFCOURSE BLOODY SHEIKH MUJIB.
WHO KILLED DEMOCRACY IN BANGLADESH??
OFFCOURSE BLOODY SHEIKH MUIJB.
রায় নিয়ে আমি সন্তষ্ট| কিনতু ঐ সময়ের সকলের অবস্থান কি ছিল তাও নিদ্দিষ্ট হওয়া দরকার|
বাংলার জনগন কে ধন্যবাদ কিছু মতলববাজ ছাড়া সকলেই রায় সমর্থন করেছেন|
চঞ্চল-এর মন্তব্যঃ "বুলেট-প্রুফ ব্রা!" পোস্ট -এ