bdnews24.com banglablog

টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ

dinmojur | ৩ জুন ২০০৯ ৪:০৯ অপরাহ্ন

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশাল হিমালয় এবং বরাক অববাহিকা অঞ্চলের প্রকৃতির উপর পরাশক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে উদগ্রীব ভারতীয় পুজি এবং আন্তর্জাতিক পুজির মুনাফা-নজর পড়েছে। লোভাতুর পুজি কখনো প্রকৃতি বোঝেনা, দীর্ঘ মেয়াদী বিবেচনা বোঝেনা, ঐতিহ্য সংস্কৃতি বোঝেনা। পুজি কখনো জীব বৈচিত্র-পরিবেশ-প্রতিবেশকে মূল্য দিতে শেখেনি, টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব অনুধাবন করতে চায়নি। এই পুজি সাধারণ গণমানুষের জীবন-জীবিকার মৌল স্বার্থকে প্রধান বিবেচনায় ঠাই দিতে শেখেনি। পুজি হচ্ছে একচক্ষু দানব, পুজি বোঝে শুধু মুনাফা। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে প্রাকৃতিক সুবিধা ব্যবহার করে জলবিদ্যুত প্রকল্পের মাধ্যমে ষাট হাজার মেগাওয়াটেরও বেশী বিদ্যুত নির্মাণ করে তা দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এনার্জি গ্রিড তৈরীর মধ্যদিয়ে বিশাল এক মুনাফা বাণিজ্যের আয়োজন করে চলেছে উদগ্র ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক পুজি। বিশেষত: বরাক নদীকে ব্যবহার করে উত্তর-পূর্ব ভারতের মণীপুর রাজ্যে টিপাইমুখ অঞ্চলে ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উতপাদনের প্রকল্পটি হচ্ছে ঐ বিশদ পরিকল্পনারই একাংশ মাত্র১ যার খেসারত দিতে হবে আসাম-মণিপুর-মিজোরাম রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের জনগণকে। বিস্তারিত…


টিপাইমুখ বিতর্ক

bdnews24.com | ২৫ জুন ২০০৯ ২:৪৫ অপরাহ্ন

ভারত তার মনিপুর রাজ্যের টিপাইমুখে বরাক নদীতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, এ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের পরিবেশ ও কৃষি বড় রকমের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ভারতের অভিযোগ, এক পক্ষের রাজনীতিক জনমনে বিদ্বেষ ছড়াতে গৎবাঁধা ভারতবিরোধিতায় ধূয়া দিচ্ছেন, আবার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ সরকার বলেছে, ওই এলাকায় একটি সংসদীয় দল যাবে এবং তারপর এ বিষয়ে পরামর্শ দেবে। ভারতের মনিপুরের স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশেষজ্ঞদেরও কেউ কেউ এ বাঁধের বিরোধিতা করছেন।

এ ব্লগে টিপাইমুখ ইস্যু নিয়ে আপনার বক্তব্য ও মন্তব্য তুলে ধরুন। কিছু নির্বাচিত লেখা আমাদের মূলপাতায় প্রকাশিত হবে।


i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যার জন্য লেখা চাই!

সাইফ সামির | ২৮ এপ্রিল ২০০৯ ৪:৫৩ অপরাহ্ন

সুহৃয়,

বাঙালির জাতির সাহিত্য ও সংষ্কৃতির দুই বিশাল স্তম্ভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম। একজন বিশ্বকবি ও নোবেল বিজয়ী, অন্যজন বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি। রবীন্দ্রনাথ আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা অন্যদিকে আমাদের রণসঙ্গীত লিখেছেন নজরুল।
রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী আমরা বাংলা সন অনুসারে পালন করলেও একটি পরিহাস এই যে মাতৃভাষা দিবস
আমরা পালন করি ইংরেজি তারিখ অনুসারে। মজার ব্যপার হলো নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের জন্ম ও মৃত্যুদিন পৃথক বাংলা মাসে হলে একই ইংরেজি মাসে। রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের জন্ম যথাক্রমে মে মাসের ৭ ও ২৫ তারিখ। মৃত্যু যথাক্রমে ৭ ও ২৯ আগষ্ট। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল দুজনই শিকার হয়েছিলেন মৌলবাদিতার। আবার দুজনকে নিয়েই হয়েছে কে কার চেয়ে বড় তার তর্ক-বিতর্ক। একজনকে বড় দেখাতে অন্যজনকে করা হয়েছে ছোট। কিন্তু আমাদের দেশ ও মানস গঠনে দুজনেরই ভূমিকা অবিস্মরীয়। তাই আমরা বারবার তাদের কাছে ফিরে আসি, আসতে হয়। তাই রবীন্দ্রনাথের ১৪৮তম ও লজরুলের ১১০তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে সাহিত্য গ্রুপ আকাশ সাহিত্য চক্র (দেখুন/জয়েন করুন ) একটি ই-ম্যাগাজিন প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করছে। i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যা শীষক ভার্চুয়াল ম্যাগটিই সম্ভবত হতে যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথ-নজরুলকে নিয়ে দেশের প্রথম ই-ম্যাগ। এখানে লেখার দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। নেটিজেনরাই এখানে লিখবেন। অফলাইন থেকে কোন লেখা সংগ্রহ করা হচ্ছে না। এখানে আপনি লিখতে পারেন এই দুই কীর্তিমানকে নিয়ে সাহিত্য বা জীবনী নির্ভর গদ্য, রচনা/নিবন্ধ । তাদের লেখার স্টাইলিস্টিকস সমালোচনা কিংবা পাঠ প্রতিক্রিয়া। ভাষার ক্ষেত্রে আমরা একাডেমিক ভাষার চেয়ে ফ্রি-স্টাইল গদ্যকেই অধিক উৎসাহিত করছি। তবে যে কোন গবেষণামূলক লেখাও পাঠানো যাবে। লিখতে পারেন নজরুল ও রবীন্দ্রনাথকে উৎসগ করে কবিতা অথবা কোন রবীন্দ্রনাথ/নজরুল বিশেষজ্ঞকে নিয়ে লেখা। করতে পারেন উভয়ের যে কোন লেখার ইংরেজি অনুবাদ কিংবা দিতে পারেন কোন গল্প/উপন্যাসকে নাট্যরূপ। আপনার লেখাটি হতে পারে পরীক্ষাধমী। নজরুল/রবীন্দ্রনাথকে চরিত্র বানিয়ে লিখে ফেলতে পারেন কোন গল্প! মোট কথা, রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিষয়ক রচিত, অপ্রকাশিত (অনলাইনে পূবপ্রকাশ শিথিলযোগ্য, তবে উল্লেখ করতে হবে), মৌলিক যে কোন লেখাই পাঠিয়ে দিতে পারেন আপনি। আপনার মূল্যবান লেখাটি নিয়েই প্রকাশিত হবে প্রথম i - ম্যাগাজিন: রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিশেষ সংখ্যা। আপনি নিজে লিখুন, আপনার পরিচিতজনদের লিখতে বলুন। যারা ছবি আকেন তারা নজরুল-রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাদের চিত্রকম পাঠাতে পারেন। যেহেতু গতানুগতিক কায়দায় কোন ফরমায়েশি লেখা নেয়া হচ্ছে না তাই আপনারদের সবার সক্রিয় অংশগ্রহণই এই অভিনব পথ চলাকে সফল করবে।

সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ।

শিগগিরই আপনার ম্যাটারটি পাঠিয়ে দিন।
ঠিকানা: imagbangla@gmail.com


আমরা কোথায় আছি!!!

বাহারুল ইসলাম | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৬ অপরাহ্ন

বিগত ৩ মাসে বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঝড়। এই ঝড়কে মোকাবেলা করার সামর্থ কি সরকারের নাই নাকি সরকারের মোকাবেলা করার স্বদ ইচ্ছা নাই। বাংলাদেশের সাধারন জনগন এই দুইটার একটা উত্তর বেছে নেবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারন জনগনের চিন্তা চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে তা আমি নিজেই বুজতে পারচি না। গত বুধবার (০৮/০৪/২০০৯) নাগাদ যেখানে সবার চিন্তা ছিলো পিলখানার হত্যাকান্ড, বসুন্ধরা সিটির অগ্নিকান্ড, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ত্রলীগের সংঘর্ষ, যুদ্ধ-অপরাধ ইস্যু ইত্যাদি কিন্তু এখন মানুষের চিন্তা- চেতনা অন্য দিকে ঘুরে গেছে না ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন তারা চিন্তা করছে খালেদা জিয়া কি শেষ পর্যন্ত তার সেনানিবাসের বাড়ী ছাড়ছে নাকি ছাড়ছে না। আপনারা এখন একটু চিন্তা করে দেখুনতো আমাদের এখন মনে কোন ঘটনার উত্তর চাচ্ছে?

দেশ এখন কোন দিকে যাচ্ছ আমি নিজেই বুজতে পারছি না। পিলখানার ঘটনা হয়েছে প্রায় ৪৫ দিন আগে আজ পর্যন্ত তার তদন্তই শেষ হলো না। আরও ৩০ কার্য দিবস বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে তদন্ত কাজ। তার মানে আরো ৪৫ দিন। এদিকে বসুন্ধরার অগ্নিকান্ডের ঘটনাতো আমরা ভুলেই গেছি। সরকার কি তাহলে জনগনের চিন্তা অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে চাচ্ছেন নাকি তারা দেশ পরিচালনা করতে হিমসিম খাচ্ছে। কোনটা সঠিক? তবে এটা বলা যায় বিগত ৩ মাসে বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি দারুন ভাবে খুন্ন হয়েছে। আমি মনে করি সরকার সকল মনযোগ জংগিবাদের দিকে দিতে গিয়ে এখন গোলক ধাধার ভিতর পড়ে গেছে।

খলেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ী ইস্যু নিয়ে বিএনপি কি আন্দলনের দিকে যাবে? আর সরকার কি যে কোন মুল্যে তা প্রটেক্ট করবে? তবে দেশ কি একটা অস্থিতিশীল পরিবেশের দিকে যাচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!


Hi! I m New in the blog.

ismail azad | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৫ অপরাহ্ন

Hi everybody! i m a new user of blog. i cant write in bangla in the blog. can any body help me to write bangla in the blog.


পাঠ্য বই সঙ্কট: সমাধানের একটি প্রস্তাবনা

ডঃ আলমগীর কাঞ্চন | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৫ অপরাহ্ন

আমাদের দেশে প্রতি শিক্ষাবছরের শুরুতে কিছু লোকের খামখেয়ালি কিংবা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারায় পাঠ্যবই নিয়ে সংকট লেগেই থাকছে। একটি সহজ সমাধান হতে পারে, শিক্ষাবছরের শুরুতে সবগুলো বই PDF ফরমেটে অনলাইনে দিয়ে দেয়া। ওয়েব অ্যাড্রেস জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে যাদের প্রয়োজন সবাই ডাউনলোড করে নিবেন। আমাদের মনে রাখতে হবে পাঠ্যপুস্তক কোন লাভজনক ব্যবসা নয়। সরকার প্রকাশক ঠিক করে যাতে তারা কিছু কমিশন নিয়ে ঠিক সময়ে বই বাজারে সরবরাহ করতে পারে। এটাও জেনে রাখা ভাল যে বই বাছাই, রচনা, সম্পাদনার কাজ কিন্তু সরকার নিজেই করে। তাই PDF ফরমেটে বই অনলাইনে দিতে কোনো সমস্যা হবার কথা নয়।

আপনাদের মতামত দিন। চলুন সবাই মিলে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করি ।


গণ পিটুনি: আইন যা বলে

Zahirul Islam Musa | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৪ অপরাহ্ন

চোর-ডাকাত, পকেটমার কিংবা ছিনতাইকারী হাতেনাতে ধরা পড়েছে অথচ পুলিশের হাতে দেয়ার আগে তাকে পিটুনি বা গণপিটুনি দেয়া হয়নি এরকম ঘটনা খুব কমই ঘটে থাকে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর এ ধরনের অপরাধীকে গণপিটুনি দেয়াটা মোটামুটি বিধানে পরিণত হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত আইন ভঙ্গকারী এদেশের জনগোষ্ঠী এ বিধান পালনে যথেষ্ট তৎপর। অন্তত বাস্তব অবস্থাদৃষ্টে এবং পত্রিকার খবর অনুযায়ী এমনটিই মনে হয়। কেননা ‘গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু’ কিংবা ‘গণপিটুনিতে ছিনতাইকারীর জীবনাবসান’ এ ধরনের শিরোনাম দেখে আমরা এখন আর আঁতকে ওঠি না। অনেক অদ্ভুত বাস্তবতার দেশে এটা এখন নির্মম বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আপনার যেমন অধিকার ভোগ করার আইনানুগ বিধান আছে, তেমনি রাষ্ট্রের যে কোনো নাগরিকেরই এ অধিকার ভোগ করা আইনসম্মত। বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয়ভাগে রাষ্ট্রের নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ৩১, ৩৩ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় লাভ, আইন অনুযায়ী ব্যবহার লাভ, বিচার লাভ, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ লাভ, অপরাধী-নিরপরাধী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
যদিও বাংলাদেশের প্রচলিত পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনিহা থেকেই গণপিটুনির মতো অবৈধ এবং আইন বিরোধী কাজটি করা হয় বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু নিজের হাতে আইন তুলে নেয়ার মতো অপরাধ আইন দ্বারা তো নিষিদ্ধই বরং বিবেক দ্বারাও অসমর্থিত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা অনুযায়ী, চোর ধরা পড়লে তাকে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। আর এর ব্যতিক্রম করলে দন্ডবিধি ১৮৭ ধারা অনুযায়ী আপনাকে অনূর্ধ্ব ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে।
অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের আইনগত দায়িত্ব। আর এ দায়িত্বে বাধা দেয়ার মতো কোনো অধিকার আপনার নেই। বরং চোর, ডাকাত, ছিনাতইকারী কিংবা পকেটামারকে আপনি যদি আটকে রাখেন এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তবে আপনাকে দ-বিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদ- বা অনূর্ধ্ব ৫০ টাকা জরিমানা বা উভয়বিধ দ-ে দ-িত হতে পারেন।
আটক রাখার পর যদি আপনি সখের বশে কিংবা নিজের শক্তিকে জাহির করার জন্য অথবা আকস্মিক উত্তেজনা বশত হয়ে অপরাধীকে পিটুনি বা ধোলাই দেন তবে কারাদ-ের আগে মেয়াদ বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে অনূর্ধ্ব তিন বছর এক মাসে। সঙ্গে অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা জরিমানা তো থাকছেই।
৩৩৪ ধারা দ-বিধি পিটুনি বা ধোলাই দিতে গিয়ে যদি গুরুতর আঘাত দিয়ে ফেলেন তবে আগের কারাদ- মেয়াদের সঙ্গে যোগ হবে আরো এক বছর। আর অর্থদ- হবে অনূর্ধ্ব ২ হাজার টাকা। অবশ্য এ ক্ষেত্রেও কারাদ- ও অর্থদ- উভয় দ-েও দ-িত হতে পারেন। (দ-বিধি, ৩৩৫ ধারা)
যে অপরাধীর ওপর আপনি নিজের ক্ষোভ মেটাচ্ছেন বা ধোলাই দিচ্ছেন তাকে আঘাতদানের সময় মেরে ফেলবেন এমন কোনো চিন্তাভাবনা বা আশঙ্কা আপনার মনে কাজ করেনি কিন্তু আকস্মিক উত্তেজনার একপর্যায়ে পিটুনির ফলে অপরাধীর মৃত্যু ঘটলো, সেক্ষেত্রে দ-বিধির ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী আপনার দশ বছর কারাদ- বা জরিমানা বা উভয়বিধ শাস্তি হবে। আর যদি অপরাধীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মেরে ফেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয় তবে এ মেরে ফেলার কাজটি হবে ঈঁষঢ়ধনষব যড়সরপরফব যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদ- বা অনূর্ধ্ব দশ বছর মেয়াদের যে কোনো কারাদ-। তার সঙ্গে যে কোনো পরিমাণ জরিমানা তো থাকছেই। (৩০৪ ধারা দ-বিধি, প্রথম অংশ)
গণপিটুনিতে যদি অপরাধীর মৃত্যু ঘটে তবে তার দায় বর্তাবে অপরাধ সংঘটনকারী সব ব্যক্তির ওপর। কেননা আইনে ঔড়রহঃ ষরধনরষরঃু বা যৌথ দায়িত্বশীলতা বলে একটি নীতি আছে। সেখানে বলা হয়েছে, একই অভিপ্রায় নিয়ে একাধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটন করলে, তাহলে প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি নিজেই অপরাধটি করেছেন। তাই গণপিটুনিতে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে, সবাইকে সমভাবে এজন্য দায়ী করা যাবে। [৩৪ ধারা দ-বিধি]
আশ্চর্যের বিষয় হলেও সত্যি যে, গণপিটুনিতে অংশ নেয়ার অপরাধে বাংলাদেশে কারো সাজা হয়েছে বলে কোনো রেকর্ড নেই। অথচ এ জাতীয় অপরাধের অসংখ্য খবর আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাই। অনেকে বলেন, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় অপরাধী সাজা পায় না বলেই এ আয়োজন। কিন্তু অপরাধীকে সাজা দিতে গিয়ে নিজে আরেকটি দ-নীয় অপরাধ করে ফেলা কোন যুক্তিতে মেনে নেয়া যায়? রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং আস্থা রাখা আপনার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পুরোপুরি পালন না করে বরং আরেকটি অপরাধ করার মতো আইনগত বা নৈতিক ভিত্তি আপনার নেই। প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে আপনি নিজে নতুন পদ্ধতিতে বিচার প্রক্রিয়া বা আইন হাতে তুলে নেয়ার কাজটি করতে পারেন না। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অযথা নতুন অপরাধের জন্ম দিয়ে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থাকে আপনি বিতর্কিত করে তুলতে পারেন না। বরং বিচার পদ্ধতির সংস্কার বা সংশোধন কিংবা আইনের পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করাটাই একজন সুনাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব।


দুদক কি মহীউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার ?

শামছুল আলম মেহেদী | ১৬ এপ্রিল ২০০৯ ৬:২৪ অপরাহ্ন

হাসান মশহুদকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছিল কিন্তু তিনি ওই ডাকে যাননি। এরপর হাসান মশহুদ দুদক থেকে পদত্যাগ করেন। এখন আবার দুদকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্থায়ী কমিটি তলব করেছে।তিনিও ওই ডাকে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। দুদকের মতে,স্থায়ী কমিটি তাদেরকে তলব করতে পারে না। দুদক শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে জবাবদিহি।
এখন প্রশ্ন হলো, যে স্থায়ী কমিটি দুদককে তলব করেছে, ওই কমিটির প্রধান হলেন দুদকের মামলায় আসামী, যিনি দুদকের মামলায় জেলও খেটেছেন। যার নাম মহিউদ্দিন খান আলমগীর।

বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে টিআইবির চেয়ারম্যানসহ অনেকে মন্তব্য করেছেন,দুদক এখন মহিউদ্দিন খান আলমগীরের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।


নেই কাজ….খই ভাজ…..

sharaat | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭ পুর্বাহ্ন

আজ তেমন কোনো খবর নাই, তাই বিরক্তিকর সময় কাটাতে এই লেখা। আবার লিখতে দেখলেও ঝামেলা……..


বাহালুল কবীর

Bahalul Kabir | ৮ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭ পুর্বাহ্ন

This is a sample message
আমার নাম বাহালুল কবীর